জেলা প্রতিনিধি
১৬ মার্চ ২০২৬, ০৫:৩৮ পিএম
নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলায় হাঁস নিয়ে দ্বন্দ্বে প্রতিপক্ষের হামলায় নারীসহ অন্তত ৭ জন আহত হয়েছে।
তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তবে এরমধ্যে গুরুতর আহত একজনকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় গতকাল রোববার থানায় মামলা হয়েছে। পরে রাতেই অভিযান চালিয়ে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
সোমবার (১৬ মার্চ) মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাফিজুল ইসলাম হারুন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে গত শনিবার উপজেলার সুয়াইর ইউনিয়নের আলীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
হামলায় আহতরা হলেন, উপজেলার আলীপুর গ্রামের মজিবুর রহমান (৫৫), তরিকুল ইসলাম (৪৫), আঙ্গুর আলী (২৮), বায়জিদ (১৯), সাহেরা খাতুন (৬০),শাপলা (২২) ও আরিফুল ইসলাম স্বাধীন(৩৬)। তাদের মধ্যে আরিফুল ইসলাম স্বাধীনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে মমেক হাসাপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার আলীপুর গ্রামের মাসুদ মিয়ার লোকজন গত শনিবার রফিকুল ইসলামের বাড়ির সামনে ডোবার পানিতে জোরপূর্বক হাঁস ছেড়ে দেয়। এ সময় রফিকুল ইসলামের লোকজন বাঁধা দিলে এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। পরে মাসুদ মিয়ার লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রফিকুল ইসলামসহ তার লোকজনের উপর অর্তকিত হামলা করে। এতে রফিকুলের লোকজন আহত হয়।
এ ঘটনায় রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে গতকাল রোববার প্রতিপক্ষের ৮ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন। আসামিরা হলেন- আলীপুর গ্রামের মো. মাসুদ (৩৮), নেহাতুল্লা (৫৫), আমিরুল (২০), আলিউল্লাহ (৬০), ওলিউল্লাহ (৫৫), সোলেমান (২৫), সালমান (২২) ও সেজু (২৭)।
তাদের মধ্যে নেহাতুল্লাকে মামলার পরপরই গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মামলার প্রধান আসামি মো. মাসুদ মিয়ার মোবাইলফোনে কল দিয়ে ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে কোন মন্তব্য না করে সংযোগ কেটে দিয়ে ফোন বন্ধ করে দেন।
মোহনগঞ্জ থানার ওসি হাফিজুল ইসলাম হারুন বলেন, মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে নেহাতুল্লাহ নামে এক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আজ দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
প্রতিনিধি/এসএস