জেলা প্রতিনিধি
১৬ মার্চ ২০২৬, ১১:৪০ এএম
রংপুর সিটি করপোরেশনের নবনিযুক্ত প্রশাসক অ্যাডভোকেট মাহফুজ উন নবী চৌধুরী ডন বলেছেন, দলীয় পরিচয় বিবেচ্য নয়, দলমত নির্বিশেষে সবার সহযোগিতায় নাগরিকদের জন্য প্রশাসক নয় সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। যেখানে সমন্বিত উদ্যোগে একটি পরিকল্পিত, পরিচ্ছন্ন ও গ্রিন সিটি করাই হবে মূল লক্ষ্য।
সোমবার (১৬ মার্চ) সকালে নগরভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ে এ কথা বলেন তিনি।
রসিক প্রশাসক বলেন, প্রশাসক হিসেবে আমার প্রথম কাজ হবে বৈষম্য দূর করা। আমার সঙ্গে যারা থাকবেন তারা যেমন নিরাপদ থাকবেন, তেমনি যারা আমার সঙ্গে থাকবেন না তারাও নিরাপদ থাকবেন। কারো প্রতি কোনো প্রকার বৈষম্য দেখানো হবে না। দলমতের ঊর্ধ্বে থেকে নাগরিকদের যে প্রাপ্য সুবিধা আমরা দিতে চাই। নাগরিকরা যাতে সহজে তার সেবা পান সে বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

বাজেট বৈষম্য নিয়ে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বাজেট বৈষম্যের কবলে রংপুর। দেশের অন্যান্য সিটি করপোরেশন থেকে এই বাজেট বৈষম্যের কারণে আমরা অনেক পিছিয়ে। আমাদের সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ। আমরা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে বাজেট বৈষম্য কমিয়ে আনতে সবধরনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী রংপুরের বাজেট বৈষম্যের বিষয়ে অবহিত। তিনি আমাদের সঙ্গে আছেন। প্রধানমন্ত্রী রংপুরের উন্নয়নে খুবই আন্তরিক। আগামী দিনে রংপুরের উন্নয়নে সবাইকে সঙ্গে পরিকল্পিত উন্নয়ন করতে চাই।

শ্যামাসুন্দরী খাল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমাদের রংপুরের ফুসফুস খ্যাত শ্যামাসুন্দরী খাল দীর্ঘ পরিকল্পনার অভাবে আজ অপরিচ্ছন্ন ভাগারে পরিণত হয়েছে। এজন্য প্রথমে শ্যামাসুন্দরী খালের উন্নয়নে স্বল্প মেয়াদী উদ্যোগ নিয়ে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এরপর দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার মাধ্যমে শ্যামা সুন্দরীকে নগরীর জন্য উপহার দিতে চাই। এজন্য সময়ের প্রয়োজন। আমাদের পরিকল্পনা করে এগিয়ে যেতে হবে।

এর আগে সকাল ৯টায় নগরভবনে নবনিযুক্ত প্রশাসক অ্যাডভোকেট মাহফুজ উন নবী চৌধুরী ডন পৌঁছান। পরে সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করে নগর ভবনের প্রতিটি সেকশনে যান এবং নগরভবন ঘুরে ঘুরে দেখেন।
উল্লেখ্য, গত শনিবার (১৪ মার্চ) দুপুরে স্থানীয় সরকারের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পান মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব সাবেক ছাত্রনেতা অ্যাডভোকেট মাহফুজ উন নবী চৌধুরী ডন।
প্রতিনিধি/টিবি