জেলা প্রতিনিধি
০৭ মার্চ ২০২৬, ১১:২৩ এএম
ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের প্রভাবে নাটোরে তেল পাম্পগুলোতে হঠ্যৎ তেল সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনের মালিকরা পড়েছেন দুর্ভোগে। অনেক চালক তেল না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
সরেজমিনে শনিবার (৭ মার্চ) সকালে নাটোর শহরের বিভিন্ন পেট্রোল পাম্প ঘুরে এমন দৃশ্য দেখা গেছে। মোটরসাইকেল চালকরা পাম্পে তেল নিতে এসে পড়েছেন চরম বিপাক্ষে।
পাম্পে তেল নিতে আসা মোটরসাইকেলের চালক সৈকত বলেন, সকালে হঠাৎ তেল পাম্পে এনে শুনি তেল নেই। এনজিওর টাকা তুলতে গ্রামে গ্রামে যেতে হবে। বাড়ি ফেরার মতো মোটরসাইকেলে এতটুকুও তেল নেই। এখন চরম বিপদে পড়ে গেছি।
আরেক মোটরসাইকেলের চালক অনিক হোসেন বলেন, গতকাল সরকার থেকে নিয়ম বেধে দেওয়ার পরেরদিন পাম্পে তেল শেষ। জরুরি কাজে এখন লালপুরে যেতে হবে। গাড়িতে যে টুকু তেল আছে, তা দিয়ে ১০-১৫ কিলোমিটার যেতে পারবো।

ডিজেল নিতে আসা কৃষক আমজাদ হোসেন বলেন, ধানের জমিতে সেচ দেওয়ার জন্য পাম্পে তেল নিতে এলে কর্তৃপক্ষ বলেন তেল শেষ। এখন জমিতে পানিতে দিতে না পারলে সব ধান নষ্ট হয়ে যাবে। ফলে তেল না পেয়ে দুচিন্তায় পড়ে গেছি।
ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ বলছে, গতকাল রাতেই পাম্পের তেল শেষ। তেলের জন্য সংশ্লিষ্ট কোম্পানিকে টাকা দেওয়া হয়েছে। তবে আজকেই দুপুরের মধ্য তেল গ্রাহকদের সরবারহের চেষ্টা করছি।
উল্লেখ্য, বর্তমানে সরকার নির্ধারিত ২০২৬ সালের মার্চের বাজার দর অনুযায়ী জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। এই মাসে প্রতি লিটার অকটেন ১২০ টাকা, পেট্রোল ১১৬ টাকা, ডিজেল ১০০ টাকা এবং কেরোসিন ১১২ টাকা দরে নির্ধারিত পাম্পগুলোতে বিক্রি হচ্ছে। বিশ্ববাজারে অস্থিরতা থাকলেও বাংলাদেশে এই মাসের জন্য নির্ধারিত এই মূল্যেই গ্রাহকরা জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারছেন।
প্রতিনিধি/টিবি