জেলা প্রতিনিধি
০৫ মার্চ ২০২৬, ০৮:২৭ পিএম
যশোরের মনিরামপুরে চাঞ্চল্যকর আরিফ হোসেন (১৯) হত্যায় জড়িত প্রধান আসামিসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি চাপাতিও উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সন্ধ্যায় যশোর পুলিশের মিডিয়া সেলে এ তথ্য দেওয়া হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন, আরিফের সৎ বাবা সোহেল মাহমুদ ও তার বন্ধু মনিরামপুরের পাঁচাকড়ি গ্রামের আশরাফ সরদারের ছেলে ফুয়াদ হাসান সৌরভ।
পুলিশ জানায়, গত পহেলা মার্চ ২০২৬ রাত আনুমানিক ১১টা থেকে ২ মার্চ সকাল ৫টার মধ্যে যে কোনো সময় শত্রুতাবশত ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে আরিফ হোসেনকে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ গোপন করার উদ্দেশ্যে একটি মাছের ঘেরের মধ্যে ফেলে রাখা হয়। স্থানীয়রা মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় নিহতের বোন জুলিয়া আক্তার বাদী হয়ে মনিরামপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
ডিবি পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার (৪ মার্চ ) বিকেলে বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার হোটেল হাজী শেখ আব্দুস সালাম ইন্টারন্যাশনাল (আবাসিক) থেকে ভিকটিমের সৎ বাবা সোহেল মাহমুদ ও তার সহযোগী ফুয়াদ হাসান ওরফে সৌরভকে (২৬) গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের কাছ থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাপাতি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিকভাবে উঠে এসেছে ছেলেকে বেশী ভালোবাসায় ক্ষোভ তৈরি হয় সোহেলের। এছাড়া সম্প্রতি আরিফকে একটি মোবাইল কিনে দেন তার মা। ওই মোবাইলের প্রতিলোভ ছিলো সৎবাবা সোহেলের। প্রাথমিক তদন্ত উঠে এসেছে, সৎ ছেলের প্রতি ক্ষোভ থেকেই হত্যার করা হয়েছে সোহেলকে।
যশোরে ডিবির উপ-পরিদর্শক (এসআই) অলক কুমার দে জানান, আরিফ হোসেন হত্যায় জড়িত আরিফের সৎ বাবা সোহেল মাহমুদ ও তার ফুয়াদ হাসান সৌরভ আটক করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি চাপাতিও উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্ত উঠে এসেছে, সৎ ছেলের প্রতি ক্ষোভ থেকেই এ হত্যাকাণ্ড।