বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক
০৩ মার্চ ২০২৬, ১২:৫৮ পিএম
ফেসবুক কমেন্টে একটি মন্তব্যকে ঘিরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাউদ্দিন আম্মারের সঙ্গে রাবি ছাত্রঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের তুমুল বাকবিতন্ডার ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার (২ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে রাকসু ভবনে সাধারণ সম্পাদকের কার্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে।
এর আগে ছাত্রঅধিকার পরিষদের সভাপতি মেহেদী মারুফ ঘোষণা দিয়ে তার নেতাদের নিয়ে রাকসু কার্যালয়ে যান। পরে তাদের মধ্যে ফেসবুক কমেন্টে ‘চুলকানি শুরু, মলমের নাম নুরু’ ঘিরে সৃষ্টি হয় উত্তেজনা। পরে একের পর এক কথা কাটাকাটি ও বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পরেন তারা।
পরে কার্যালয় থেকে বের হয়ে রাবি ছাত্রঅধিকার পরিষদের সভাপতি মেহেদী মারুফ বলেন, একজন সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে রাকসুর কার্যক্রম নিয়ে সমালোচনা করে পোস্ট করেছিলাম। সেই পোস্টে সে (আম্মার) প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছে। এছাড়াও কিছু কমেন্ট চালাচালি হয়েছে যেখানে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরকে মালখোর, আবাল বলে গালি দিয়েছে। একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং নির্বাচিত জিএস হিসেবে সে কখনোই এমনভাবে শব্দ ব্যবহার করতে পারে না। আমরা মনে করি তার নৈতিক স্খলন হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেওয়ার জন্য আমরা এখন রাকসুর সভাপতি ড. সলেহ হাসান নকিবের কাছে যাব।
এ বিষয়ে রাকসু জিএস সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, একটা কমেন্টকে টেনে ‘এই করবি কেন, ওই করবি কেন’ যেটা অনেকটা ‘টাচ করবি না’ পলিটিক্সের মতো হয়ে গেছে। সবাই যখন রাজনীতির মাঠে নিরব তখন ছাত্রঅধিকার পরিষদ মিডিয়া অ্যাটেনশন নেওয়া এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ নষ্ট করার জন্যই এমন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে।
এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাকসুর সহযোগিতায় প্রশাসনের ইফতার মাহফিলের দিন ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি মেহেদী মারুফ রাকসুর সমালোচনা করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখেন, ‘রাকসু ফরজ কাজ বাদ দিয়ে নফল কাজেই বেশি মনোযোগী এবং পারদর্শী। হবেই না বা কেন? নফল দিয়েই যদি বৈতরণি পার হওয়া যায়, তাহলে ফরজের আর দরকারটা কি!’ এই পোস্টের কমেন্টে জিএস সালাউদ্দিন আম্মার লেখেন ‘চুলকানি শুরু, মলমের নাম নুরু’।
প্রতিনিধি/এসএস