images

সারাদেশ

শিল্প বর্জ্য দূর করতে নতুন প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে: পানিসম্পদ মন্ত্রী

জেলা প্রতিনিধি

০২ মার্চ ২০২৬, ০৩:২৯ পিএম

পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, বিভিন্ন শিল্প কল-কারখানা ভেঙে দেওয়া যাবে না, বন্ধ করে দেওয়া যাবে না। তবে পরিকল্পিত শিল্প কারখানা ও পরিকল্পিতভাবে বর্জ্যগুলো যেন দূর হয়। বর্জ্য দূর করার জন্য একটি নতুন প্রকল্প গ্রহণের জন্য আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে। সেটি নিয়ে আমরা আলোচনা করছি। এখানে আমরা এসেছি নতুনভাবে চৌক্কার খাল পুনঃখননের জন্য। খালের দুই পাশে বসতবাড়ি ও অনেকগুলো শিল্প কারখানা আছে। সব কিছু মিলে এখানে পানির প্রবাহ যেন ঠিক থাকে এবং সাধারণ মানুষ উপকার ভোগী হয় সেজন্য এই খাল পুনঃখননের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি সোমবার (২ মার্চ) দুপুরে গাজীপুরের শ্রীপুরে জিয়াউর রহমানের স্মৃতি বিজড়িত চৌক্কার খাল পরিদর্শন ও পুনঃখনন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন।

a3b9a1cf-1fd3-41d1-957e-36d5003895c6

মন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠনের পর দৃশ্যমান কিছু কাজ শুরু করেছি। যেগুলোর বেশকিছু জনগণের সামনে দৃশ্যমান এবং এগুলো আমরা এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি। আমাদের লক্ষ্য সাধারণ মানুষের কাছে থেকে দেশকে নতুন করে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়া, নতুনভাবে নির্মাণ করা। সেই কাজ আমরা শুরু করেছি।

আরও পড়ুন

জুলাইয়ের আহত যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের জন্য পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার

এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, গাজীপুর -৩ আসনের সংসদ সদস্য ডা. এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আলম হোসেন, গাজীপুর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ব্যারিস্টার ইশরাক আহমেদ সিদ্দিকীসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত: প্রায় সাড়ে ছয় কিলোমিটার দীর্ঘ চৌক্কার খাল খালটি গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার লবলং খালের একটি শাখা। উপজেলার দোখলা বাজার থেকে উৎপন্ন হয়ে এটি পূর্ব দিকে ছাপিলাপাড়া হয়ে ভাংনাহাটি গ্রামে গিয়ে কৃষিজমিতে মিলিত হয়েছে। ১৯৭৮ সালে খালটি খননের জন্য সরাসরি এলাকায় এসেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তিনি শ্রমিকদের সঙ্গে নিজ হাতে মাটি কাটায় অংশ নেন। বর্তমানে প্রায় অস্তিত্ব বিলীন খালটি পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড এক কোটি ৭৮ লাখ ৪৬ হাজার টাকা ব্যয়ে এটি পুনঃখনন কাজ করছে। ২০২৭ সালের ৩০ জুন প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রতিনিধি/এসএস