images

সারাদেশ

রাজশাহীর চারটিতে বিএনপি, দুটিতে জামায়াতের জয়

জেলা প্রতিনিধি

১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৩৭ এএম

রাজশাহীর ৬টি সংসদীয় আসনের চারটিতে জয় পেয়েছে বিএনপি, আর বাকি দুটিতে জামায়াতে ইসলামীর জয় হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে রাজশাহীর রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক আফিয়া আখতার স্বাক্ষরিত প্রাথমিক বেসরকারি ফলাফলে এমনটা জানানো হয়।

রাজশাহী-১ (তানোর-গোদাগাড়ী) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান জয় পেয়েছেন। আসনটিতে মোট ভোটার ৪ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ জন। ভোটকেন্দ্র ছিল ১৬০টি। ৩ লাখ ৫১ হাজার ৮৪৪টি ভোট কাস্ট হয়। আর ৩ লাখ ৪৩ হাজার ৮৫৮টি বৈধ ভোট বিবেচিত হয়, যার শতকরা হার ৭৫ দশমিক ০৬ শতাংশ। বাতিল হয় ৭ হাজার ৯৮৬টি ভোট। জামায়াতের প্রার্থী অধ্যাপক মুজিবুর রহমান পান ১ লাখ ৭১ হাজার ৭৮৬ টি ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী মেজর জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) শরিফ উদ্দিন পান ১ লাখ ৬৯ হাজার ৯০২ ভোট। এ আসনে প্রার্থী ছিলেন ৪ জন।

রাজশাহী-২ (সদর) আসনে বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু জয় পেয়েছেন। এ আসনে মোট ভোটার ৩ লাখ ৬৯ হাজার ৫৬৪ জন। ভোটকেন্দ্র ছিল ১১৬টি। মোট ভোট কাস্ট হয় ২ লাখ ৩৫ হাজার ৯১৬টি। বৈধ ভোট বিবেচিত হয় ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৪২টি। বাতিল হয় ৪ হাজার ৪৭৪টি ভোট। এ আসনে প্রদত্ত ভোটের শতকরা হার ৬৩ দশমিক ৮৪ শতাংশ। বিএনপির প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনু পেয়েছেন ১ লাখ ২৮ হাজার ৫৪৬টি ভোট, আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী প্রফেসর ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর পেয়েছেন ১ লাখ ৩৭০ ভোট। এ আসনে প্রার্থী ছিলেন ৬ জন।

রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে বিএনপির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন জয় পেয়েছেন। এ আসনে ভোটকেন্দ্র ছিল ১৩২টি। ভোট ভোটার ৪ লাখ ২৩ হাজার ৭৩৮ জন। ৩ লাখ ২৭ হাজার ৪০৭টি ভোট কাস্ট হয়৷ বৈধ ভোট ছিল ৩ লাখ ১৯ হাজার ২৬১টি। আর বাতিল হয় ৮ হাজার ১ ৪৬ ভোট। প্রদত্ত ভোটের শতকরা হার ৭৭ দশমিক ২৭ শতাংশ। বিএনপির শফিকুল হক মিলন পেয়েছেন ১ লাখ ৭৬ হাজার ৩১৮টি ভোট। আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আবুল কালাম আজাদ পেয়েছেন ১ লাখ ৩৭ হাজার ৯২৭ ভোট। এ আসনে প্রার্থী ছিলেন ৬ জন।

আরও পড়ুন

জয় পেলেন জামায়াতের নায়েবে আমির

রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে জামায়াতে ইসলামীর ডা. আব্দুল বারি সরদার জয় পেয়েছেন। আসনটিতে মোট কেন্দ্র ১২৩টি। মোট ভোটার ৩ লাখ ১৯ হাজার ৯০৯ জন। প্রদত্ত মোট ভোট ২ লাখ ৩১ হাজার ১৯০টি। বৈধ হয় ২ লাখ ২৭ হাজার ১১৬। আর বাতিল হয় ৪ হাজার ৭৪ ভোট। প্রদত্ত ভোটের শতকরা হার ৭২ দশমিক ২৭ শতাংশ। জামায়াতের প্রার্থী ডা. আব্দুল বারি সরদার পান ১ লাখ ১৫ হাজার ২২৬ ভোট। বিএনপির ডিএমডি জিয়াউর রহমান পান ১ লাখ ৯ হাজার ৪৬১ ভোট। এ আসনে প্রার্থী ছিলেন ৪ জন।

রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ধানের শীষের প্রার্থী অধ্যাপক নজরুল ইসলাম জয় পেয়েছেন। আসনটিতে ১৩৩টি ভোটকেন্দ্র। মোট ভোটার রয়েছেন ৩ লাখ ৫৩ হাজার ১৭৩ জন। প্রদত্ত ভোট ২ লাখ ৪৩ হাজার ৪৩৬, বৈধ হয় ২ লাখ ৩৭ হাজার ৭৯৮টি। বাতিল হয় ৫ হাজার ৬৩৮ ভোট। প্রদত্ত ভোটের শতকরা হার ৬৮ দশমিক ৯৩ শতাংশ। বিএনপির অধ্যাপক নজরুক ইসলাম পান ১ লাখ ৫৩ হাজার ৪২৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দী জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা মনজুর রহমান পেয়েছেন ৭৩ হাজার ৪৪৫ ভোট। এ আসনে প্রার্থী ছিলেন ৭ জন।

রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাইদ চাঁদ জয়লাভ করেছেন। আসনটিতে ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৯৫৯ জন ভোটারের জন্য ভোটকেন্দ্র ছিল ১২০টি। মোট ভোট কাস্ট হয় ২ লাখ ৫৩ হাজার ৩০২টি। ভোট বৈধ বিবেচিত হয় ২ লাখ ৪৬ হাজার ১৯৫টি। বাতিল হয় ৭ হাজার ১০৭টি ভোট। প্রদত্ত ভোটের শতকরা হার ৭০ দশমিক ৯৬ শতাংশ। বিএনপির আবু সাইদ চাঁদ পান ১ লাখ ৪৮ হাজার ৬৭২ ভোট৷ তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মো. নাজমুল হক পেয়েছেন ৯২ হাজার ৯৬৫টি ভোট। এ আসনে প্রার্থী ছিলেন ৪ জন।

প্রতিনিধি/এসএস