নিজস্ব প্রতিবেদক
২৬ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:১৫ এএম
যশোরের ঝিকরগাছায় নির্বাচনি প্রচারণা চালানোর সময় মহিলা জামায়াতের নেতাকর্মীদের ওপর যুবদলের হামলার অভিযোগ উঠেছে। রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে ঝিকরগাছা পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের কীর্তিপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।
এদিন সন্ধ্যায় যশোর প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনের জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী ডা. মোহাম্মদ মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘ঝিকরগাছা পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের কীর্তিপুর গ্রামে রোববার দুপুরে ১০ দলীয় জোট মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা. মোহাম্মদ মোসলেহ উদ্দিন ফরিদের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ভোট চাইতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন জামায়াতের নারী নেত্রীরা।’
উপজেলা যুবদলের সভাপতি আরাফাত রহমান কল্লোলের নেতৃত্বে ১০-১৫ জনের একটি দল তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায় বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, হামলায় জামায়াতের নারী কর্মী জোসনা ও কামরুন্নাহার, তুলি, বিলকিসসহ ১০জন আহত হয়েছেন।
মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ আরও বলেন, ‘হামলাকারীরা নির্বাচনি আচরণ বিধি ভঙ্গ করে আমার কর্মীদের ওপর হামলা করে নির্বাচনি পরিবেশ বিনষ্ট করার পাঁয়তারা করছে। তারা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন এলাকায় আমার নির্বাচনি কর্মীদের এবং সাধারণ ভোটারদের ভয়-ভীতি ও হুমকি-ধামকি প্রদান করছে। আজ তারা প্রকাশ্যে আক্রমণ করে বসলো।’
অতিদ্রুত তদন্তপূর্বক হামলাকারীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিও জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে উপজেলা জামায়াতের মহিলা নেত্রী মিসেস শিখা বলেন, ‘পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের গ্রামে আমাদের মহিলা কর্মী রাফিজা, নাসিমা, কামরুন্নাহার, তুলি, বিলকিস, জোসনাসহ ১০ জনের একটি মহিলা টিম ১০ দলীয় জোট মনোনীত সংসদ পদপ্রার্থী ডাক্তার মুসলে উদ্দিন ফরিদের দাঁড়িপাল্লার পক্ষে ভোট চাইতে গেলে সেখানে যুবদল নেতা আরাফাত রহমান কল্লোলের নেতৃত্বে আমাদের কর্মীদের মেরে গুরুতর আহত করেছে। আহত জোসনা ও কামরুন্নাহার চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে। এছাড়াও কয়েকজন কর্মীর মোবাইল ও ভেনেটি ব্যাগসহ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে গেছে।’
হামলায় জড়িতদের শাস্তির দাবি জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা এ হামলার তীব্র প্রতিবাদ করছি এবং এ হামলায় জড়িতদের আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবি করছি।’
এসএইচ/এমআই