জেলা প্রতিনিধি
২৫ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:২৮ পিএম
বাগেরহাটের ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল হাসান সাদ্দামের স্ত্রী-সন্তানের মর্মান্তিক মৃত্যুর প্রসঙ্গ টেনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, ‘সাদ্দাম হয়তো ছাত্রলীগ করতেন, কিন্তু ছাত্রদলেও তো গত ১৫ বছর এমন অনেক কর্মী ছিলেন। যে নেতা কর্মীর পরিবারের খবর রাখেন না, কিংবা যাকে নেতা বানাতে গিয়ে কর্মীর স্ত্রী-সন্তানকে বিষ খেয়ে মরতে হয় আপনারা কি তেমন নেতা চান?’
রোববার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের টিঘর গ্রামে গণসংযোগ-পরবর্তী এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রুমিন ফারহানা বলেন, ‘সাদ্দাম কারাগারে ছিলেন। তাকে এক দিনের জন্যও বের করে আনবে এমন কোনো নেতা ছিল না। এমনকি তাকে প্যারোলে মুক্তির ব্যবস্থাও কেউ করেনি। স্ত্রী ও সন্তানের মরদেহ কারাগারে নেওয়ার পর তিনি মাত্র পাঁচ মিনিটের জন্য তাদের দেখার সুযোগ পেয়েছেন। গত ১৫ বছর সাদ্দামের মতো কর্মীরা যাদের পেছনে রাজনীতি করেছেন, যাদের নেতা বানিয়েছেন, তারা কেউ এই দুঃসময়ে পরিবারটির পাশে দাঁড়ায়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিগত ১৫ বছর বিএনপির অনেক বড় বড় নেতার মোবাইল ফোন বন্ধ ছিল; তাদের নাম্বার ছিল বিদেশি, যা সাধারণ কর্মীরা জানতেন না। কিন্তু সেই কঠিন সময়েও আপনারা আমাকে পাশে পেয়েছেন। তাই নেতা নির্বাচনের সময় সতর্ক থাকবেন। সাদ্দামের মতো করুণ পরিণতি যেন বাংলাদেশের আর কোনো রাজনৈতিক কর্মীর কপালে না ঘটে।’
জনসভা শেষে রুমিন ফারহানা পানিশ্বর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে গণসংযোগ করেন। এ সময় তাঁর সঙ্গে বিপুল সংখ্যক কর্মী-সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিনিধি/একেবি