images

সারাদেশ

মিরসরাই হোটেল থেকে রুটি আনতে গিয়ে সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার শিক্ষার্থী

উপজেলা প্রতিনিধি

১৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:০৫ পিএম

স্কুল বন্ধ থাকার সুবাদে সকালে বাবার ফল দোকানে একসঙ্গে গিয়েছিলেন বাবা-ছেলে৷ কিছুসময় পর রুটি কেনার জন্য ছেলে শাখাওয়াত হোসেনকে হোটেলে পাঠান ফল ব্যবসায়ী বাবা ইকবাল হোসেন৷ রুটি আনতে গেলে, মুখে মাস্ক পরিহিত তিনজন যুবক তাকে ডেকে নিয়ে মিরসরাই পৌরসভা মার্কেটের ছাদে নিয়ে গিয়ে ছুরি ও চাইনিজ কুড়াল দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায়৷ দীর্ঘ প্রায় ২০ মিনিট মার্কেটের ছাদে অজ্ঞান হয়ে পড়ে থাকে৷ পরবর্তীতে জ্ঞান ফিরলে মার্কেট থেকে নিচে নামলে স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়৷

শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকালে মিরসরাই উপজেলার সদরে অবস্থিত পৌরসভা মার্কেটের ছাদে এই ঘটনা ঘটে৷ আহত মো. সাখাওয়াত হোসেন (১৫) মিরসরাই সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী৷

সাখাওয়াতের বাবা ফল ব্যবসায়ী ইকবাল হোসেন বলেন, উপজেলা সড়কের স্কুল মার্কেট ও পৌরসভা মার্কেটের ব্যবসায়ীরা কক্সবাজার ভ্রমণে গেছেন৷ দুটি মার্কেটই বন্ধ৷ তা ছাড়া সকালে বাজারে মানুষ খুব কম থাকে৷ ছেলের স্কুল বন্ধ৷ তাই সঙ্গে করে দোকানে নিয়ে আসলাম৷ একসঙ্গে নাস্তা করব তাই রুটি কিনতে পাঠালাম৷ হঠাৎ কি থেকে কি হয়ে গেল! স্কুলও আজ বন্ধ৷ স্কুলে বন্ধু কিংবা সহপাঠীদের সঙ্গে কোনো বিরোধ ছিল কিনা, ছেলেও কিছু বলছে না।

আরও পড়ুন

গাজীপুরে হোটেল ব্যবসায়ীকে হত্যার অভিযোগে আটক ৩

তিনি আরও বলেন, দিনে দুপুরে মুখে মানকি ক্যাপ (শীতে পরিহিত মাস্ক) পরিধান করে ছুরি দিয়ে বুকে, হাতে পিঠে এভাবে সন্ত্রাসী হামলা আমার জন্য ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ছেলের শরীরে ২৬টি সেলাই পড়েছে৷ আমি মিরসরাই থানায় অভিযোগ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি৷

স্থানীয় বাসিন্দা জাবেদ হোসাইন বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এমনিতেই খুবই নাজুক৷ তারমধ্যে দিনদুপুরে এভাবে একজন ছাত্রকে হামলা খুবই ন্যক্কারজনক ঘটনা। আমরা আতঙ্কে দিন পার করছি৷

মিরসরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, শিক্ষার্থীর ওপর হামলার বিষয়ে জেনেছি৷ পুলিশের টিম ঘটনাস্থলে গিয়েছে৷ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব৷ এ ঘটনায় এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি।

প্রতিনিধি/এসএস