images

সারাদেশ

নওগাঁ-৫ আসনে বিএনপি ও জামায়াত প্রার্থীকে শোকজ

জেলা প্রতিনিধি

১৫ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:৪১ পিএম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নওগাঁ-৫ (সদর) আসনে বিএনপির প্রার্থী জাহিদুল ইসলাম ও জামায়াতের প্রার্থী আবু সাদাত মো. সায়েমকে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) এ আসনের নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটির প্রধান এবং জয়পুরহাট সিভিল জজ আদালতের বিচারক মো. আসাদুজ্জামান নূর পৃথকভাবে এ নোটিশ প্রদান করেন।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে কেন তাদের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে প্রতিবেদন পাঠানো হবে না কিংবা আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে না সে বিষয়ে আগামী ১৮ জানুয়ারি সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে নওগাঁ জেলা ও দায়রা জজ আদালত ভবনে অবস্থিত সিভিল জজ (বদলগাছী) কার্যালয়ে সশরীরে হাজির হয়ে লিখিত জবাব দিতে হবে।

আবু সাদাত মো. সায়েমের নোটিশে বলা হয়েছে, তার নামে পরিচালিত একটি ফেসবুক পেজ থেকে গত ৩ ও ১০ জানুয়ারি ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে ভোট চেয়ে পোস্ট দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া নির্বাচনি অনুসন্ধান কমিটির পরিদর্শনের সময় নওগাঁ পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে এবং বিভিন্ন যানবাহনের (অটো, রিকশা, সিএনজি) পেছনে তার নাম ও ছবি সংবলিত স্টিকার ও পোস্টার দেখা গেছে। এসব কার্যক্রম ‘জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’-এর ১৮ বিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

এ বিষয়ে জামায়াত প্রার্থী আবু সাদাত মো. সায়েম বলেন, ‘আমি নোটিশ পেয়েছি। যেসব পোস্টার দেখা গেছে সেগুলো তফসিল ঘোষণার আগেই লাগানো হয়েছিল। অধিকাংশ সরিয়ে ফেলা হলেও হয়তো কিছু থেকে গেছে। নির্ধারিত তারিখে আমি আদালতে হাজির হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দেব।’

বিএনপি প্রার্থী জাহিদুল ইসলামের নোটিশে উল্লেখ করা হয়, সম্প্রতি একটি মিলাদ মাহফিলে তার উপস্থিতিতে জনৈক বক্তা বিএনপির পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেন। প্রার্থীর উপস্থিতিতে এ ধরনের প্রচারণা আচরণ বিধিমালার ১৮ বিধির লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য করেছে কমিটি।

এ বিষয়ে জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত দোয়া মাহফিলে দলের এক নেতা ভোট চেয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। সরাসরি আমার বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নেই। তবুও আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ১৮ তারিখে হাজির হয়ে আমি আমার বক্তব্য পেশ করব।’

প্রতিনিধি/একেবি