images

সারাদেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গণশুনানি, তিতাস গ্যাসের নাম পুনর্বহালের দাবি

জেলা প্রতিনিধি

১৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০৬:৪৯ পিএম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গ্যাস বিতরণ ব্যবস্থা ও গ্রাহক সেবা বিষয়ে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে শহরের সুর সম্রাট আলাউদ্দিন খাঁ সঙ্গীতাঙ্গনের মিলনায়তনে বাখরাবাদ গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেডের উদ্যোগে এ গণশুনাণি অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন- ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান। বাখরাবাদ গ্যাস ফিল্ড কোম্পানী লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) নাহিদ বানী ইসলাম।

বিশেষ অতিথি ছিলেন- ব্রাহ্মণবাড়িয়া পুলিশ সুপার শাহ মো. আব্দুর রউফ, বিজিডিসিএল ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) প্রকৌশলী মো. ফজলে আলম, মহাব্যবস্থাপক (চলতি দায়িত্ব অপারেশন এন্ড মেইনটেনেন্স) প্রকৌশলী মো. জাহিদুর রেজা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রঞ্জন কুমার দে, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত মো. ইশতিয়াক ভূইয়া, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি, জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি জহিরুল হক খোকন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা মুক্তিযুদ্ধা কমান্ডের আহবায়ক সৈয়দ এমরানুর রেজা, জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মোবারক হোসেন আকন্দ, সহ সভাপতি এবিএম মোমিনুল হক, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আজম, সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান শাহীন, জেলা জামায়াতের প্রচার সম্পাদক মো. রুকন উদ্দিন, গণঅধিকার পরিষদের জেলা সভাপতি আশরাফুল হাসান তপু, ঐক্যবদ্ধ সদর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শেখ আরিফ বিল্লাহ আজিজী, এনসিপির প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন এবং স্থানীয় জনসাধারণ।

এ সময় গ্রাহক পর্যায় থেকে অভিযোগ করা হয়, প্রতিরাতেই গ্যাস লাইন বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। দিনের বেলা গ্যাস থাকলেও ঠিকভাবে চুলা জ্বলে না। মাসের পর মাস এ অবস্থা চলছে। তবে এর সুরাহা করতে কোনো ধরণের উদ্যোগ লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। দ্রুত এ সমস্যার সমাধান না হলে আন্দোলন গড়ে তোলার হুশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়। বিগত আওয়ামীলীগ সরকার ভারতের সাথে কোনো চুক্তি করে থাকলে পাশাপাশি ভারতে চোরাইভাবে গ্যাস সরবরাহ করা হলে তা বন্ধের দাবি জানান। সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তা বক্তব্য রাখার সময়ও তারা প্রতিবাদ করেন। একপ্রকার তোপের মুখে পড়ে যান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। ভুক্তভোগীরা বাখরাবাদ গ্যাসের বদলে তিতাস গ্যাসের নাম পুনর্বহালের দাবিও তুলেন।

বাখরাবাদ গ্যাস কর্তৃপক্ষ তাদের আলোচনায় জানান যে, তারা ৫২ হাজারের মতো সংযোগ দিয়েছেন। এরই বাইরে ২৫ হাজারের মতো অবৈধ সংযোগ রয়েছে। এছাড়া লাইন পুরাতন হওয়ায় গ্যাস লিকেজ হচ্ছে। সব মিলিয়ে অতিরিক্ত সিস্টেম লস হচ্ছে। জেলায় অতিরিক্ত দুই মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ বাড়ানো হবে। এছাড়া লিকেজ ও অপচয় রোধে রাত ১২টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

প্রতিনিধি/ এজে