জেলা প্রতিনিধি
১৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:৪৭ এএম
মাদারীপুরে শীতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে জ্বর, সর্দি, কাঁশি, শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন রোগ। সরকারি হাসপাতালে প্রতিদিনই ভর্তি হচ্ছেন রোগীরা। এর বেশির ভাগই শিশু ও বৃদ্ধ। শয্যার ধারণ ক্ষমতার চেয়ে রোগীর সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ।
মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে সরজেমিনে দেখা যায়, ২৫০ জেলা শয্যা হাসপাতালে শিশু ওয়ার্ড, ডায়েরিয়া ওয়ার্ড-এ বেড়েছে রোগীর সংখ্যা। ঠান্ডাজনিত রোগের বাইরে কারো কারো দেখা দিয়েছে চর্ম রোগও। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বর্হিবিভাগেও রোগীর চাপ। সেবা দিতে হিমশিম অবস্থা চিকিৎসক ও নার্সদের। এমতাবস্থায় কাঙ্ক্ষিত সেবা না পেয়ে ক্ষুব্ধ রোগী ও স্বজনরা।
![]()
জানা যায়, গড়ে প্রতিদিন শুধুমাত্র জেলার ২৫০ শয্যা হাসপাতালে আন্তঃবিভাগ ও বর্হিবিভাগে দেড় থেকে দুই হাজার মানুষ স্বাস্থ্যসেবা নিচ্ছেন। ১৬৪ জন জনবলের বিপরীতে রোগীদের স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে কাজ করছেন চিকিৎসক-নার্সসহ ১৩৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী। দীর্ঘদিন ধরে খালি পড়ে আছে ২৯টি। এতে ব্যাহত হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা।
মাদারীপুর পৌরসভা এলাকার বাসিন্দা কহিনুর বেগম বলেন, আমার নানির নিউমোনিয়া হয়। প্রথমে তো ভয় পেয়েছিলাম। ৪ দিন পর আজকে একটু সুস্থ।
![]()
সদর উপজেলার মোস্তফাপুর থেকে আসা সীমা আক্তার বলেন, ঘরের বাইরে কাজ করতে গিয়ে আমার ঠান্ডা লেগেছে। সেই ঠান্ডার আমার ছেলেও আক্রান্ত হয়। প্রথমে জ্বর হয়েছিল, স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ না হওয়ায় সরকারি হাসপাতালে নিয়ে আসছি।
মাদারীপুর ২৫০ জেলা শয্যা হাসপাতালে সিনিয়র স্টাফ নার্স কনিকা শিকদার বলেন, শীতের মৌসুমে ঠান্ডাজনিত রোগ থেকে বাঁচতে বাহিরে বের হলে গরম পোশাক পড়তে হবে। আর মাকে তার সন্তানকে সুস্থ রাখতে নিজেদের ঠান্ডা থেকে বিরত থাকতে হবে। পাশাপাশি কোনো শিশু, বৃদ্ধ বা যেকোনো ব্যক্তির ঠান্ডাজনিত রোগের উপসর্গ দেখা দিলে তাৎক্ষণিক সরকারি হাসপাতালে আসতে হবে। পরামর্শ নিতে হবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের।
প্রতিনিধি/টিবি