images

সারাদেশ

দোহারে গোখাদ্যের চরম সংকট, বিপাকে খামারিরা

উপজেলা প্রতিনিধি

১০ জানুয়ারি ২০২৬, ০২:১৯ পিএম

ঢাকার দোহার উপজেলায় গোখাদ্যের চরম সংকট দেখা দিয়েছে। প্রাকৃতিক ও আবাদ করা গোখাদ্যের অভাবে গবাদিপশু নিয়ে কঠিন সময় পার করছেন এ এলাকার কৃষক ও খামারিরা। এ বছর অতিরিক্ত বৃষ্টি হয়েছে। এতে সময় মতো ঘাস আবাদ করতে না পারায় ও গবাদিপশুর চারণ ভূমিগুলোতে রবিশস্যের আবাদ হওয়ায় এ সংকট হয়েছে বলে জানা গেছে। এ কারণে কৃষকদের কচুরিপানা ও লতা-পাতার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। এ সংকট কতদিন থাকবে এ নিয়ে দুর্ভোগে রয়েছেন খামারিরা। ঘাসের সংকটের কারণে দুগ্ধজাত গরুর দুধ উৎপাদন কমে যাচ্ছে বলে জানান খামারিরা।

উপজেলার বিলাশপুর এলাকার জাহাঙ্গীর মিয়া বলেন, আমার দুটি গরু আছে। কোথাও ঘাসের যোগান না থাকায় এক রকম বিপদের মধ্যে রয়েছি। বাজারে ডাল জাতীয় গোখাদ্যের যে দাম, কিনে খাওয়ানোও সম্ভব হচ্ছে না আমাদের।

পশ্চিম রাইপাড়া এলাকায় কৃষক আব্দুল খালেক জানান, গত একমাস ধরে প্রাকৃতিক ঘাসের উৎস কমে যাওয়ায় কচুরিপানা ও লতাপাতা গবাদি পশুকে দিচ্ছি। এ জাতীয় খাবার নিয়মিত দেওয়াতে গরুর ঠান্ডাজনিত সমস্যা থেকে শুরু করে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিয়েছে। ভালো মানের ঘাসের ব্যবস্থা করতে না পারায় দুধ কমে গেছে দেড় থেকে দুই লিটার।

thumbnail_দোহারে_ঘাসের_সঙ্কট

উপজেলার বটিয়া এরাকায় কৃষক মো. জয়নাল বলেন, জমিতে রবি শস্যের চাষ হওয়াতে ঘাসের আবাদ একদমই নেই। যার জন্য এ সময়টাতে কাঁচা ঘাস কমে গেছে। সারদিন বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে এক আঁটি ঘাসের ব্যবস্থা করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

 

দোহার উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. শামীম হোসেন জানান, প্রতিবছরই এ সময়টাতে গোখাদ্যের সংকট দেখা দেয়। এবছর অতিরিক্ত বৃষ্টি হওয়াতে মাসকলাই, খেসারি রোপণে বিলম্ব হওয়ায় খামারিরা বিপাকে আছেন। তবে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে আবাদ করা ঘাস খাওয়াতে পারলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

প্রতিনিধি/টিবি