জেলা প্রতিনিধি
০৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১০:৩৯ এএম
মাদারীপুরে বন্ধ রয়েছে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি ও সরবরাহ।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) শহরের অধিকাংশ এলাকায় দেখা গেছে, চাহিদার তুলনায় নেই সরবরাহ। এতে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।
জানা যায়, প্রতিমাসে এলপিজি’র মূল্য সমন্বয় করে বিইআরসি। সর্বশেষ ৪ জানুয়ারি নতুন মূল্য ঘোষণা করে কমিশন। এ নিয়ে সকালে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমবায় সমিতির পক্ষ থেকে বলা হয়, বিইআরসি পরিবেশকদের সঙ্গে কোনো আলোচনা না করেই মূল্য সমন্বয় করেছে। এলপিজি সিলিন্ডারের সংকট দূর করায় জোর না দিয়ে বাড়তি দাম নিয়ে বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে। ভোক্তা অধিকার অভিযান চালিয়ে আতঙ্ক তৈরি করছে। এতে অনেকে ব্যবসা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন। জ্বালানি বিভাগ, বিইআরসি ও এলপিজি কোম্পানি মিলে আমদানি সমস্যা দূর করা ছিল সঠিক সমাধান। তা না করে অভিযান চালিয়ে পরিবেশকদের হয়রানি করা হচ্ছে। পরিবেশক কমিশন ৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮০ টাকা ও খুচরা বিক্রেতাদের কমিশন ৪৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭৫ টাকা করার দাবি জানিয়েছে এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী সমিতি। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সারা দেশে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ ও বিক্রি বন্ধ রাখার ঘোষণা দেন ব্যবসায়ী নেতারা। এরই অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার থেকে মাদারীপুরে বন্ধ রয়েছে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি ও সরবরাহ।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে মাদারীপুরে বেশ চাহিদা রয়েছে গ্যাস সিলিন্ডারের। কয়েকটি দোকানে কিছু সংখ্যক মজুদ থাকলেও তা বিক্রি হচ্ছে হচ্ছিল বাড়তি দামে। অধিকাংশ সরবরাহ করা কোম্পানী ডিলারদের কাছে নেই এর উপযুক্ত জবাব। কেন্দ্রীয় নির্দেশনা মেনে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি ও সরবরাহ বন্ধ রেখেছেন তারা। পরবর্তী নির্দেশনা আসলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার কথা জানিয়েছেন ডিলাররা।
মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, অতিরিক্ত মূল্যে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি করার খবর পেয়ে গত কয়েকদিন ধরে জেলার বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়েছে। এছাড়া কেউ যদি কৃত্রিম সংকট করে, তাহলে খোঁজ নিয়ে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রতিনিধি/টিবি