images

সারাদেশ

ভোলায় ৩ উপদেষ্টাকে অবরুদ্ধ, ৫ দাবি এলাকাবাসীর

জেলা প্রতিনিধি

১৪ নভেম্বর ২০২৫, ১০:৫৩ পিএম

ভোলায় গ্যাসভিত্তিক ইউরিয়া সার কারখানার সম্ভাব্য স্থান নির্ধারণ করতে এসে আন্দোলনকারীদের বাধার মুখে পড়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তিন উপদেষ্টা।

শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ভোলা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে স্থানীয়রা বিক্ষোভ করে তাদের পথরোধ করেন।

জেলা প্রশাসক কার্যালয় প্রাঙ্গণে উপদেষ্টাদের গাড়ির সামনে শুয়ে পড়ে বিক্ষোভ শুরু করেন আন্দোলনকারীরা। ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণসহ স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের পাঁচ দফা দাবির পক্ষে তারা স্লোগান দিতে থাকেন। মুহূর্তেই পুরো এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যস্থতায় উপদেষ্টারা গাড়িযোগে জেলা প্রশাসক কার্যালয় ত্যাগ করেন।

এর আগে বিকেল ৪টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের হলরুমে অর্থনৈতিক উন্নয়ন সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় অংশ নেন-বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান এবং বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন। সভা শেষে তারা বাইরে বের হলে আন্দোলনকারীরা তাদের পথরোধ করেন। 

1000078113
ভোলায় সরকারের তিন উপদেষ্টাকে অবরুদ্ধ করে এলাকাবাসী। পরে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যস্থতায় উপদেষ্টারা গাড়িযোগে জেলা প্রশাসক কার্যালয় ত্যাগ করেন। ছবি: প্রতিবেদক

 

আন্দোলনকারীরা জানান, সম্প্রতি আন্দোলন কমিটির সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী শেখ মঈন উদ্দীন ও জ্বালানি উপদেষ্টার বৈঠকে ডিসেম্বরেই ভোলা-বরিশাল সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হবে—এমন প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু শুক্রবারের সভায় জ্বালানি উপদেষ্টা বলেন, ‘এখনও ভোলা-বরিশাল সেতুর নকশা কাজ শুরু হয়নি; এটি নীতিগত সিদ্ধান্তে আটকে আছে।’ 

এই মন্তব্যে ক্ষুব্ধ হয়ে বিক্ষোভে নামেন আন্দোলনকারীরা এবং জ্বালানি ও বাণিজ্য উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি করেন।

আন্দোলনকারীরা জানান, ভোলা-বরিশাল সেতু নির্মাণসহ পাঁচ দফা দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ভোলার বাইরে ভোলার গ্যাস ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। তারা বলেন, দাবি আদায়ে শিগগিরই আরও কঠোর কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হবে। 

1000078114
ভোলায় সরকারের তিন উপদেষ্টাকে অবরুদ্ধ করে এলাকাবাসী। পরে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যস্থতায় উপদেষ্টারা গাড়িযোগে জেলা প্রশাসক কার্যালয় ত্যাগ করেন। ছবি: প্রতিবেদক

 

প্রতিনিধি/ক.ম/