জেলা প্রতিনিধি
১১ আগস্ট ২০২৫, ০৯:২৫ পিএম
শের-ই বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালসহ স্বাস্থ্যখাতে সংস্কারের তিন দফা দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ কর্মসূচির মধ্যে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালের সংস্কার দাবিতে আমরণ অনশনে বসেছে একদল শিক্ষার্থী।
প্রধান গেইটে অবস্থান নিয়ে ৭ দফা দাবিতে সোমবার (১১ আগস্ট) বেলা ১১টা থেকে আমরণ অনশন কর্মসূচি শুরু করেছে তারা।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নেওয়া ব্যবস্থা সম্পর্কে সাংবাদিকদের জানাতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন পরিচালক এ কে এম মশিউল মুনীর। এসময় তিনি সংস্কারের জন্য তিন মাসের সময় চেয়ে বলেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সংকট দূর করতে আন্তরিক।
অনশন কর্মসূচিতে থাকা বরিশাল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী রাইয়ান ইসলাম বলেন, বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে দক্ষ জনবল নেই। এখানে এসে কাউকে পাওয়া যায় না। নার্সদের মাথা সব সময় ১০০ ডিগ্রি গরম থাকে। তারা কারও কথা শোনেন না। স্বাস্থ্য উপদেষ্টা যতক্ষণ পর্যন্ত বরিশাল এসে সমাধান না করবেন, ততক্ষণ পর্যন্ত অনশন চলবে। এজন্য এই হাসপাতালের সংস্কারে সাতটি দাবি উপস্থাপন করেছি।
আরও পড়ুন
সেগুলো হচ্ছে- দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের অপসারণ ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। ট্রলি সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ ও সিন্ডিকেট বন্ধ করতে হবে। বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দালালদের হাসপাতালে প্রবেশ নিষিদ্ধ করতে হবে। রোগীদের সেবার মান উন্নয়নে স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন ও সুপারিশ বাস্তবায়নে ছাত্রপ্রতিনিধি নিয়ে কমিটি গঠন করতে হবে। কোনো রোগীকে যেন বাইরে যেতে না হয় এবং ওষুধ ও সব প্যাথলজি পরীক্ষার ব্যবস্থা হাসপাতালে থাকতে হবে। অনিয়ম দুর্নীতি চিহ্নিত করাসহ স্বাস্থ্যখাত সংস্কারের সব দাবি মানতে হবে বলে উল্লেখ করা হয়।
এদিকে বেলা ১১টায় শেবাচিম হাসপাতালের তৃতীয় তলার সেমিনার কক্ষে সংবাদ সম্মেলন করেছেন পরিচালক এ কে এম মশিউল মুনীর। সংবাদ সম্মেলনে পরিচালক ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে তার নেওয়া পদক্ষেপের বিষয়টি তুলে বলেন জানান, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা, সচিব ও মহাপরিচালকের সঙ্গে তার একাধিকবার কথা হয়েছে। তারা সবাই ইতিবাচক। দাবি পূরণের ব্যবস্থা নিয়েছেন।
প্রতিনিধি/এসএস