Dhaka Mail Logo

সারাদেশ

বরগুনায় জলবায়ু লড়াইয়ে যুব শক্তির উন্মেষ

জেলা প্রতিনিধি

১৬ মে ২০২৫, ১২:১৫ পিএম

জলবায়ু পরিবর্তন এখন আর ভবিষ্যতের আশঙ্কা নয়। এটি ইতোমধ্যেই শুরু হয়েছে আরও ঘন ঘন এবং আরও তীব্র রূপে। হোক তা বন্যা, ঘূর্ণিঝড় কিংবা তীব্র তাপপ্রবাহ, এর প্রতিটি অভিঘাতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় তরুণ প্রজন্ম। অথচ বৈশ্বিক আলোচনায় তাদের প্রতিনিধিত্ব এখনও পর্যাপ্ত নয়। এই প্রেক্ষাপটে জলবায়ু পরিবর্তনের ফ্রন্টলাইনে থাকা বরগুনার তরুণদের নিয়ে আয়োজন করা হলো ‘ট্রেনিং অন ক্লাইমেট এমপাওয়ারমেন্ট অ্যান্ড ইয়ুথ অ্যাকশন বরগুনা’।

শুক্রবার (১৬ মে) বরগুনা প্রেসক্লাব অডিটোরিয়ামে দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণে দুর্বার ইয়ুথ নেটওয়ার্ক ও গ্রিন পিস ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির আয়োজনে সকাল ৯টায় উদ্বোধনী বক্তব্য দেন- বরগুনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. আবু জাফর সালেহ।

thumbnail_IMG-20250516-WA0001

এই অনুষ্ঠানের সহ আয়োজক হিসাবে ছিলেন বরগুনা ইয়ুথ হাব ফর ক্লাইমেট ইমপাওয়ারমেন্ট, সাইন্স অ্যান্ড এডুকেশন ইয়ুথ ফাউন্ডেশন (সেইফ), উপকূলীয় সূর্য সামাজিক সংস্থা (উসসাস), বাংলাদেশ ইয়ুথ কালচারাল অর্গানাইজেশন, সোনার বাংলা ইয়ুথ ক্লাব, এমএস ডিজাইন প্রতিষ্ঠানগুলো। এই প্রশিক্ষণে বরগুনা ছাড়াও উপকূলের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা প্রায় ৭০ জন যুব অংশগ্রহণ করেন।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য হলো তরুণদের জলবায়ু ন্যায্যতা নিয়ে কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করা, পরিবেশ রক্ষায় নেতৃত্ব দেওয়ার সক্ষমতা তৈরি করা এবং তাদেরকে জলবায়ু কার্যক্রমে যুক্ত করা।

IMG-20250516-WA0017

প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের জন্য জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ বিষয়ে গভীর ধারণা অর্জনের সুযোগ, যুবদের নেতৃত্বগুণ ও কৌশলগত দক্ষতা উন্নয়ন, বাস্তবভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা তৈরি ও বাস্তবায়নের প্রস্তুতি, অভিজ্ঞ সংগঠকদের সঙ্গে নেটওয়ার্কিং গঠন, আলোচনাসহ অংশগ্রহণকারীদের সনদপত্র বিতরণ এবং জলবায়ুর ন্যায্যতায় গাছের চারা বিতরণের মাধ্যমে বৃক্ষরোপণের সুযোগ রাখা হয়। 

আয়োজকেরা বলেন, বরগুনা উপকূলীয় জেলা হিসেবে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে রয়েছে। এখানকার তরুণদের সচেতন ও সংগঠিত করা গেলে পরিবেশ রক্ষার আন্দোলন আরও জোরদার হবে।

thumbnail_IMG-20250516-WA0021

এই প্রশিক্ষণের আয়োজনের মাধ্যমে বরগুনার তরুণরা এখন শুধু জলবায়ু সংকটের ভুক্তভোগী নয়, বরং পরিবর্তনের চালিকাশক্তি হিসেবে এগিয়ে আসছে বলে মনে করছেন স্থানীয় পরিবেশবাদী ও উন্নয়ন সংস্থাগুলো।

প্রতিনিধি/এসএস