Dhaka Mail Logo

সারাদেশ

সাদপন্থীদের ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’ আখ্যায়িত করে নিষিদ্ধের দাবি

জেলা প্রতিনিধি

২০ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৯:০৪ পিএম

টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানে গভীর রাতে সাদপন্থীদের অতর্কিত হামলায় হতাহতের ঘটনার প্রতিবাদে যশোরে বিক্ষোভ মিছিল ও থানা ঘেরাও কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। হামলার ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং যশোর মার্কাজ মসজিদসহ সকল মসজিদে সাদপন্থীদের নিষিদ্ধ ঘোষণা এবং তাদের সকল কার্যক্রম বাংলাদেশে নিষিদ্ধ করার দাবিতে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

শুক্রবার (২০ ডিসেম্বর) শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কে বিক্ষোভ মিছিল শেষে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানা ঘেরাও করে মুসল্লিরা। পরে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাকের কাছে স্মারকলিপি দেন যশোর জেলার ওলামায়ে কেরাম ও তাবলীগের শুরায়ী নেজামের সার্থীরা।

যশোর ওলামায়ে কেরাম ও তাবলীগের শুরায়ী নেজামের সার্থী আব্দুল মান্নান, রুহুল আমিন ও আবু যর বলেন, যশোরে সাদপন্ত্রীরা মার্কাজ মসজিদের পার্শ্ববর্তী তাদের অবৈধভাবে দখলকৃত ভবন রয়েছে। তাদের মার্কাজ মাদরাসার মধ্যে লাঠিসোটা, দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র জমা করতে দেখা গেছে। সে রাতেই তারা এগুলো নিয়ে টঙ্গী ময়দানে যায়। ন্যাক্কারজনক এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ও হামলার ইন্ধনদাতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দিতে হবে। যশোরের মার্কাজ মসজিদসহ সকল মসজিদে এই সন্ত্রাসী জামাতকে (সাদপন্থী) নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে হবে।

jessure-2

তারা আরও জানান, গত ১৭ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) গভীর রাতে ঢাকার টঙ্গী ইজতেমার ময়দানে মাওলানা সাদ অনুসারীরা শুরায়ী নেজামের ঘুমন্ত সাথীদের ওপর অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলা, নির্মম হত্যাকাণ্ড ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে মারপিট, খুন ও জখমের ভয়াবহ চিত্র দেশবাসীর সামনে পরিষ্কার হয়েছে। ২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বরও তারা এমন হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছিল। এ থেকে বুঝা যায় তারা সন্ত্রাসী গোষ্ঠী। এজন্য তাদেরকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আখ্যা দিয়ে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা এবং যশোর জেলা মার্কাজ ও মাদরাসাসহ প্রতিটি মসজিদে তাদের সকল কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ ঘোষণার জোর দাবি জানাচ্ছি।

যশোরে তবলীগ জামায়াতের (সাদপন্থী) শুরা এসএম ইয়ামিন রহমান বলেন, মিড টাউনের মালিক ওবায়দুল হক পুরাতন কসবার সইদুল ইসলাম মার্কাজ’র পার্শ্ববর্তী ভবনের জমি দান করেন এবং এ জমিতে ভবন নির্মাণের অর্থায়ন করেন। এটা সাদপন্থীদের নিজস্ব ভবন। এটা অবৈধ বা দখলকৃত জায়গা নয়।

তিনি আরও বলেন, জুবায়েরপন্থীরা মিথ্যা বানোয়াট কথা বলছে। আমরা নই জুবায়েরপন্থীরাই লাঠিসোঠা ও অস্ত্র নিয়ে টঙ্গী মাঠ দখল করে রাখে।’

যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক বলেন, দুই পক্ষকে নিয়ে বসা হবে। সেখানে কথা বলে সব সমস্যার সমাধান হবে।’

প্রতিনিধি/এমআর