জেলা প্রতিনিধি
১৪ নভেম্বর ২০২৪, ০১:৩৫ পিএম
উত্তরের নদীবেষ্টিত জেলা গাইবান্ধা। এ জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে আরও রয়েছে অসংখ্য খাল-বিল। এরই মধ্যে জমে থাকা পানিতে ভাসছে কচুরিপানা। এর ফলে রঙিন হয়ে গেছে খাল-বিল।
সম্প্রতি গাইবান্ধার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের তরফ আল গ্রামের নয়াপাড়ার শকুনদহ বিলে দেখা গেছে- কচুরিপানা ফুলের শুভ্রতা। এই ফুলের সৌন্দর্য প্রকৃতিতে যোগ করেছে নান্দনিকতা। এখানেই নজরে পড়লো বেশ কিছু তরুণ-তরুণী। তারা কচুরি ফুলের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে আপন খেয়ালে ছিঁড়ছিল পাপড়ি।
আরও পড়ুন: সবুজ ক্ষেতে কৃষকের রঙিন স্বপ্ন
সরেজমিনে দেখা যায়, শুধু নয়াপাড়ায় নয়, গাইবান্ধার আরও শত শত খাল-বিলে এখন কচুরি ফুলের সমাহার। সেখানে পানির ওপর বিছানো সবুজ পাতার ফাঁকে এসব নীলাভ সাদা ফুলের নয়নাভিরাম দৃশ্যে চোখ জুড়িয়ে যায়। দূর থেকে মনে হয় কেউ যেন সবুজ চাঁদরে ফুলের বিছানা পেতে রেখেছে। এর ফলে সৌন্দর্য বেড়ে গেছে এসব জলাশয়ের।
শকুনদহ বিলে সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসা রিক্তা আক্তার নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, এই হেমন্তে ফুটন্ত কচুরিপানা ফুল দেখে বেশ মুগ্ধ হয়েছি। খানিকটা দাঁড়িয়ে যেন হারিয়ে গেছি প্রকৃতির মাঝে।
আরও পড়ুন: বগুড়ায় কৃষকের সবজি ভোক্তার কাছে পৌঁছাচ্ছে ছাত্ররা
বিশেষজ্ঞদের মতে, কচুরিপানা এক প্রকার ভাসমান জলজ উদ্ভিদ। বর্ষাকালে অত্যাধিক পরিমাণে জম্মায় এবং দ্রুত বংশবৃদ্ধি করে নদী-নালা, খাল-বিল, পুকুর ও জলাশয় ভরিয়ে তুলে।
এ বিষয়ে গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক খোরশেদ আলম বলেন, কৃষিক্ষেত্রে এর যথেষ্ট উপকারিতা রয়েছে। কচুরিপানা থেকে এখন জৈব সার তৈরি হয়। এই সার প্রয়োগে কৃষকরা অধিক ফলন পাচ্ছেন।
প্রতিনিধি/ এমইউ