জেলা প্রতিনিধি
২৬ অক্টোবর ২০২৪, ০৬:২০ পিএম
ঘূর্ণিঝড় দানার প্রভাবে সৃষ্ট বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাসে দিনাজপুরে পাকা আমন ধানগাছ নুয়ে পড়েছে। আর অল্প কিছুদিন পরেই এসব ধান কেটে ঘরে তোলার কথা। কিন্তু ঘরে তোলার সময় ধানগাছ নুয়ে পড়ায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকেরা।
সরজমিনে শনিবার (২৮ অক্টোবর) বিভিন্ন এলাকার আমন ধানের মাঠ ঘুরে দেখা যায়, বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাসের কারণে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে শাকসবজিসহ বিভিন্ন ধরনের রবিশস্যের। বাতাসে নষ্ট হয়েছে মাঠের পাঁকা রোপা আমন ধানের। এদিকে এমন ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় কৃষকদের মাথায় হাত পড়েছে। ফলে অনেকটাই ক্ষতিসাধন হয়েছে বলেও জানান কৃষকরা।
![]()
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর উপজেলায় ১৩ হাজার ৭৬০ হেক্টর জমিতে রোপা আমনের আগাম জাতের ধানের আবাদ হয়েছে। এ পর্যন্ত ১ হাজার ৩৮০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধান কর্তন হয়েছে। যার গড় ফলন ৬.৪৫ মেট্রিক টন (ধান)। যার উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ৬৭ হাজার ১৭০ মেট্রিক টন। যা গত বছরের তুলনায় বেশি। উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্য আমন মৌসুমে কৃষককে সরকারি প্রনোদনা (বীজ ও সার) দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন
গোয়ালডিহি গ্রামের কৃষক আমির রহমান বলেন, আমার জমিতে ধান ভালো হলেও ঘূর্ণিঝড় দানার কারণে ঝড়ে ধান গাছগুলো হেলে পড়েছে। আমার দেড় বিঘার ধান হেলে পড়েছে। ধানের শিষে যে দানা রয়েছে। তা এখনও শক্ত হয়নি। অনেক ধান চিটা হয়ে যাবে। আর যে ফলন হওয়ার কথা ছিল তাও কমে যাবে।
![]()
আগ্রা গ্রামের কৃষক সত্যজিৎ নাথ বলেন, আমি বর্গা নিয়ে ৫০ শতাংশ জমিতে আমন ধান চাষ করেছেন। ঝড়ো হাওয়ায় ধান গাছ নুয়ে পড়েছে। বিগত কয়েক বছরের তুলনায় এবার অনেক ভালো ফলন হয়। কিন্তু বৃষ্টির কারণে কাঙ্খিত ফসল ঘরে তোলা নিয়ে তিনি চিন্তিত।
![]()
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ইয়াসমিন আক্তার বলেন, ঘূর্ণিঝড় দানার প্রভাবে আমন ধানের তেমন ক্ষতির সম্ভাবনা নেই। কৃষি বিভাগ সার্বক্ষণিক তৎপর রয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি। আশা করছি খুব শিগগিরই এই দুর্যোগ কেটে যাবে।
প্রতিনিধি/এসএস