images

সারাদেশ

বন্যায় সাপ আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটছে

জেলা প্রতিনিধি

২৪ আগস্ট ২০২৪, ০৯:৩৪ পিএম

সাপ আসবে, সাপ আসবে এমন আতঙ্কে রাত কাটে। ছেলে-মেয়েসহ না ঘুমিয়ে রাত কাটাচ্ছি। এভাবেই মনের অভিব্যক্ত প্রকাশ করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের বায়েক গ্রামের মৃত গোলাম মোস্তফার স্ত্রী তাছলিমা বেগম।

ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে গত বৃহম্পতিবার (২২ আগস্ট) সন্ধ্যার পর থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার ২৬টি গ্রামের বাসিন্দা পানিবন্দী হয়ে পড়েন।

তাছলিমা বেগম আরও বলেন, এমন বন্যার পানি আগে কখনও দেখিনি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকে ঘরে পানি ঢুকতে শুরু করে। বৃহস্পতিবার থেকে ছোট ছোট ২ ছেলে ও ১ মেয়ে নিয়ে রাত জেগে বসে থাকি। মাটির চুলা ডুবে গেছে, সিলিন্ডার গ্যাস ও শেষ। তাই দুই দিন ধরে ঘরে রান্না হচ্ছে না। শুকনো খাবার খেয়েই আছি।

আরও পড়ুন

আখাউড়ার বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, বন্ধ রয়েছে স্থলবন্দর

তাছলিমা বেগমের জা রেহেনা বেগম জানান, তিনি ক্যানসার আক্রান্ত রোগী। তার মাটির ঘরে পনি ঢুকে ঘর লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। তিনি হতাশ হয়ে বলেন, তার সব শেষ।  তিনিসহ তার সাত জনের পরিবারের সদস্যরা পাশে দেবরের ঘরে আশ্রয় নিয়েছেন। রাতে সাপ আতঙ্কে আমরা কেউ ঘুমাতে পারি না। খুব ভয়ে রাত কাটছে। ঘরের জিনিসপত্রের মায়ায় কোনো আশ্রয় কেন্দ্রে যায়নি।

কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহরিয়ার মোক্তার বলেন, কসবায় বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে। আশা করি খুব দ্রুতই এই বন্যার পরিস্থিতি উন্নতি হবে। কসবায় ২ হাজার ৩৫০ পরিবারের ১৫ হাজার সদস্য এখনও পানিবন্দী।

প্রতিনিধি/এসএস