জেলা প্রতিনিধি
০১ এপ্রিল ২০২৪, ১০:৫৮ পিএম
ভোলায় গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে রেণু বেগম (৩০) নামের এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। তবে এ মৃত্যুর পেছনে ডাক্তারের চিকিৎসা অবহেলা রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন মৃতের স্বজনরা। সোমবার (১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ভোলা সদর হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
ভোলা সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. নজরুল ইসলাম ঢাকা মেইলকে রেণু বেগমের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
রেণু বেগম তজুমদ্দিন উপজেলার চর জহির উদ্দিন ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামের দিনমজুর রতন মিয়ার স্ত্রী ও দুই সন্তানের জননী ছিলেন।
স্বজনরা জানান, বেশকিছু দিন ধরে রেণু বেগম অসুস্থ ছিলেন। সোমবার সকালে ভুলবশত তিনি ঘরে থাকা গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাৎক্ষণিক স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে তজুমদ্দিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক অবস্থা বেগতিক দেখে তাকে সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। পরে স্বজনরা তাকে দুপুরের দিকে ভোলা সদর হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন।
স্বজনদের অভিযোগ, হাসপাতালে ভর্তি করার পর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. শিবলী সাদিক আল-ইসলাম রোগী দেখে তাকে ৭টি টেস্ট করাতে বলেন। পরে স্বজনরা এপোলো ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সবগুলো টেস্ট করান। টেস্ট ব্যতীত রোগীকে আর কোনো চিকিৎসা দেওয়া হয়নি।
স্বজনরা বলছেন, রোগীকে টেস্টের নামে সময়ক্ষেপণ করেন চিকিৎসক। টেস্ট ব্যতীত কোনো চিকিৎসা না দেওয়ায় রেণু বেগমের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
এ বিষয়ে ভোলা সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. শিবলী সাদিক আল ইসলাম ঢাকা মেইলকে বলেন, রোগীকে যেকটি টেস্ট দেয়া হয়েছে। প্রতিটি টেস্ট ভালো এসেছে। রোগীর অবস্থাও ভালো ছিল। এর চেয়ে বেশি কিছু বলার নেই।
ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনির হোসেন মিঞা বলেন, এ ঘটনায় এখনো মৃত রেণু বেগমের স্বজনরা থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ করেনি। ঘটনাটি শুনে হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ভোলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হবে।
প্রতিনিধি/এজে