জেলা প্রতিনিধি
২৫ অক্টোবর ২০২৩, ০৪:৩৭ পিএম
গতকাল রাতের ঘূর্ণিঝড় হামুনের আঘাতে লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে পুরো কক্সবাজার। দিনের বেলায় ক্ষতচিহ্ন ফুটে উঠেছে। গাছপালা ও বিদ্যুতের খুটি উপড়ে পড়েছে। প্রাথমিকভাবে ২ হাজার ৫০০ ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে৷
পুরো জেলায় ২০ ঘণ্টা ধরে বন্ধ রয়েছে বিদ্যুৎ সরবরাহ। সেই সঙ্গে মোবাইল নেটওয়ার্কের জটিলতাও দেখা দিয়েছে। ফলে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে মানুষ। গতকাল ২৪ অক্টোবরের ঘূর্ণিঝড়ে জেলায় তিনজন নিহত এবং আহত হয়েছে প্রায় শতাধিক।
কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ইনচার্জ অতীশ চাকমা বলেন, ঘূর্ণিঝড় হামুনের আঘাতে হাজার হাজার গাছ উপড়ে গেছে। যার কারণে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ও কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়েছিল। কিন্তু রাত ৩টা পর্যন্ত কাজ করে এসব মহাসড়ক ও সড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে। এখন শহরের সড়কগুলো থেকে উপড়ে পড়া গাছ কেটে, তা সরিয়ে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করা হচ্ছে। কিছুটা সময় লাগবে, কারণ অনেক বেশি গাছ উপড়ে সড়কে পড়েছে। চেষ্টা করছি, দ্রুত সরিয়ে সড়কে যানবাহন চলাচলের উপযোগী করার।

কক্সবাজার বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল কাদের গণি বলেন, ঘূর্ণিঝড় হামুনের আঘাতে উপড়ে গেছে অসংখ্য বৈদ্যুতিক খুঁটি। তার ছিঁড়ে রাস্তা-ঘাটে পড়ে রয়েছে। এখন বৈদ্যুতিক সংযোগ দিলে প্রাণহানি ঘটতে পারে, তাই আপাতত বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রয়েছে।
বুধবার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মুহম্মদ শাহীন ইমরান জানান, ক্ষতির প্রকৃত পরিমাণ জানতে কাজ চলছে। কিন্তু মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায় তা জানতে বিলম্ব হচ্ছে। মোবাইল অপারেটরদের সঙ্গে আলাপ করে দ্রুত নেটওয়ার্ক স্বাভাবিক করতে বলা হয়েছে। এটা হলে ক্ষয়ক্ষতির খবর দ্রুত পাওয়া যাবে। এ মুহূর্তে তিনজনের মৃত্যু, আড়াই হাজার ঘর বিধ্বস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন ডিসি৷
প্রতিনিধি/এসএস