জেলা প্রতিনিধি
১২ অক্টোবর ২০২৩, ০৪:৫৭ পিএম
বগুড়ায় রোহান চৌধুরী(২৩) হত্যাকারিদের গ্রেফতারের দাবিতে লাশ নিয়ে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন এলাকাবাসী। তারা হলেন কৃষক লীগ ও সেচ্ছাসেবক লীগ নেতা।
বগুড়া সদরের রাজাপুর ইউনিয়ন কৃষকলীগের সাবেক সভাপতি গিয়াস উদ্দিন ওরফে গিয়াস মেম্বার ও তার ভাগিনা বগুড়া পৌরসভার ১৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর বগুড়া সদর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ম আহবায়ক লুৎফর রহমান মিন্টু রোহান চৌধুরী হত্যার পর থেকেই স্বপরিবারে আত্মগোপন করেছেন। তাদের বাড়িতে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি।
বৃহস্পতিবার (১২ অক্টোবর) বগুড়ার দ্বিতীয় বাইপাস মহাসড়কে মানিকচক বন্দরে দুপুর সাড়ে ১২ টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত দুই দফায় দেড় ঘন্টা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে এলাকাবাসী।
সেই সাথে তারা রাজাপুর ইউনিয়ন বিট পুলিশিং এর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এসআই জাফরের অপসারন দাবী করেন।
এদিকে রোহান চৌধুরী হত্যার পর ওই এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করায় বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই মানিকচক বন্দর এবং জয়বাংলা হাট এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। গিয়াস মেম্বার ও তার ভাগিনা ওয়ার্ড কাউন্সিলর লুৎফর রহমান মিন্টুসহ রোহান হত্যার সাথে জড়িতরা স্বপরিবারে পলাতক থাকায় তাদের বাড়ি ঘরে হামলার আশঙ্কায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সদর থানার এসআই আব্দুর রহীম।
বৃহস্পতিবার বেলা ১২ টার দিকে নিহত রোহান চৌধুরীর লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এরপর লাশ এলাকায় পৌছিলে কয়েক হাজার নারীপুরুষ সমবেত হয়।পরে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করা হয়।
উল্লেখ্য বুধবার সকালে একটি মামলায় জামিন নিতে গেলে আদালত চত্বর থেকে রোহান চৌধুরী ও সেলিম নামের দুই যুবককে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর পিটিয়ে রোহান চৌধুরীকে হত্যা এবং সেলিমকে গুরুতর আহত অবস্থায় রাজাপুর ইউনিয়নের জয়বাংলা হাটে ফেলে রাখা হয়।
বগুড়া সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শাহিনুজ্জামান বলেন, রোহান চৌধুরী হত্যার ঘটনায় এখনও মামলা হয়নি। লাশ দাফনের পর রাতে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা করা হবে।বুধবার ঘটনার পর থেকেই জড়িতদের গ্রেফতার করতে পুলিশের একটি টিম কাজ শুরু করেছে।
প্রতিনিধি/একেবি