জেলা প্রতিনিধি
১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০৯:৩৫ এএম
১০ টাকার জন্য চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় আট বছর বয়সী এক শিশুকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক কিশোরের বিরুদ্ধে। তার নাম ইয়ামিন হোসেন। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত জাহিদ হাসান পলাতক রয়েছে।
শনিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ৩টার দিকে উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের কানাইডাঙ্গা গ্রামের একটি বাগান থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
কার্পাসডাঙ্গা ক্যাম্প পুলিশের ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) জুয়েল রানা ঢাকা মেইলকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
শিশু ইয়ামিন উপজেলার জয়রামপুর গ্রামের সেলিম রেজার ছেলে। অভিযুক্ত জাহিদ কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের ৭ ওয়ার্ড কানাইডাঙ্গা গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য আশাদুল ইসলামের ছেলে।
নিহতের স্বজনদের বরাত দিয়ে উপপরিদর্শক (এসআই) জুয়েল রানা জানান, বাবা-মায়ের বিচ্ছেদের পর মায়ের সঙ্গে নানা বাড়িতে থাকতো শিশু ইয়ামিন ও তার ভাই ইমন আলী। শনিবার দুপুরে বাড়ির পাশে খেলছিল দুই ভাই। এ সময় স্থানীয় কিশোর বয়সী জাহিদ হাসান মুড়ি কেনার জন্য ইয়ামিনকে ৩০ টাকা দেয়। মুড়ি কেনার পর অবশিষ্ট ১০ টাকা খরচ করে ইয়ামিন। বাকি টাকা ফেরত চাইলে দিতে না পারায় ইয়ামিনকে রশি দিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করে জাহিদ।
ইয়ামিনের বড় ভাই ইমন পালিয়ে গিয়ে বিষয়টি পরিবারকে জানায়। পরে পরিবারের লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আমবাগানে ইয়ামিনের গলা কাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধারের পর চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীটি।
এসআই জুয়েল রানা জানান, অভিযুক্ত জাহিদকে ধরতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্রটি এখনো জব্দ করা যায়নি। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
টিবি/এমআর