Dhaka Mail Logo

অটোমোবাইল

টিভিএস আরটিআর ১২৫ বনাম রাইডার ১২৫: পারফরম্যান্সে এগিয়ে কোন বাইক?

অটোমোবাইল ডেস্ক

০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১০ এএম

টিভিএস মোটর কোম্পানি তাদের জনপ্রিয় ১২৫ সিসি সেগমেন্টে নতুন স্পোর্টি মোটরসাইকেল হিসেবে টিভিএস আরটিআর ১২৫ প্রকাশ্যে এনেছে। অন্যদিকে ভারতের বাজারে ইতিমধ্যে দারুণ জনপ্রিয় রয়েছে টিভিএস রাইডার ১২৫। এই দুটি বাইকের ইঞ্জিন, প্রযুক্তি, সাসপেনশন এবং ফিচারের দিক থেকে বেশ কিছু বড় পার্থক্য রয়েছে। দুই চাকার এই জনপ্রিয় প্রতিদ্বন্দ্বীদের মধ্যে কোন ক্ষেত্রে কোন বাইকটি এগিয়ে রয়েছে, তা নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

পারফরম্যান্স ও ক্ষমতার দিক বিচার করলে আরটিআর ১২৫ বাইকটিতে রয়েছে ১২৫ সিসির লিকুইড কুলড চার ভালভ ডিওএইচসি ইঞ্জিন, যা থেকে সর্বোচ্চ ১৪.৯ পিএস শক্তি এবং ১২ নিউটন মিটার টর্ক পাওয়া যায়। অন্যদিকে রাইডার ১২৫ মডেলে ব্যবহার করা হয়েছে ১২৪.৮ সিসির এয়ার কুলড এসওএইচসি ইঞ্জিন, যা থেকে সর্বোচ্চ ১১.৪ পিএস শক্তি এবং ১১.৭৫ নিউটন মিটার টর্ক উৎপন্ন হয়। আধুনিক লিকুইড কুলড ইঞ্জিন এবং উন্নত প্রযুক্তির কারণে আরটিআর ১২৫ মডেলটি রাইডার ১২৫-এর তুলনায় প্রায় তিন দশমিক পাঁচ পিএস বেশি শক্তিশালী এবং এটি উচ্চ রেভে দুর্দান্ত পারফর্ম করতে সক্ষম। তবে রাইডার ১২৫ এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে দৈনন্দিন যাতায়াতে পারফরম্যান্স ও জ্বালানি সাশ্রয়ের চমৎকার ভারসাম্য বজায় থাকে।

আরও পড়ুন: বাজারে এলো ডুকাটির নতুন অফ-রোড মোটরসাইকেল, দাম গাড়ির চেয়েও বেশি

ফিচার এবং প্রযুক্তির দিক থেকেও আরটিআর ১২৫ বেশ আধুনিক। এতে রয়েছে পাঁচ ইঞ্চির টিএফটি ডিসপ্লে, সুইচেবল ডুয়াল চ্যানেল এবিএস এবং গুগল ম্যাপ মিররিংয়ের মতো দুর্দান্ত সব সুবিধা। অন্যদিকে রাইডার ১২৫-এর বিভিন্ন ভ্যারিয়েন্টে টিএফটি কিংবা কালার এলসিডি ডিসপ্লে এবং টার্ন বাই টার্ন নেভিগেশন পাওয়া যায়, যদিও এর টপ স্পেক ভ্যারিয়েন্টে সুইচেবল ট্র্যাকশন কন্ট্রোল রয়েছে। এছাড়া চেসিস ও সাসপেনশনের ক্ষেত্রে আরটিআর ১২৫ মডেলে ট্রেলাইস ফ্রেম, কেওয়াইবি ইনভার্টেড ফর্ক এবং পেছনের দিকে কেওয়াইবি মনোশক ব্যবহার করা হয়েছে। পাশাপাশি এর দুই চাকায় ডিস্ক ব্রেক এবং চওড়া রেডিয়াল টায়ার থাকায় এর হ্যান্ডলিং বেশ স্পোর্টি হওয়ার কথা। অন্যদিকে রাইডার ১২৫ মডেলে সিঙ্গেল ক্রেডেল টিউবুলার ফ্রেম, সামনের টেলিস্কোপিক ফর্ক এবং পেছনের চাকায় ভ্যারিয়েন্ট অনুযায়ী ডিস্ক বা ড্রাম ব্রেক দেওয়া হয়েছে। তবে আকর্ষণীয় ফিচার ও স্পোর্টি ডিজাইন থাকা সত্ত্বেও ইউরোপের এ ওয়ান লাইসেন্সধারী নতুন চালকদের কথা মাথায় রেখে এটি তৈরি করায় ভারতের বাজারে এই বাইকটি লঞ্চ হওয়ার সম্ভাবনা আপাতত কম।

এজেড