Dhaka Mail Logo

অটোমোবাইল

আসছে নতুন টয়োটা ইনোভা হাইক্রস, কী কী বদল থাকছে?

অটোমোবাইল ডেস্ক

০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:৫১ পিএম

ইন্দোনেশিয়ায় নতুন অবতারে আত্মপ্রকাশ করেছে টয়োটা কিজাং ইনোভা জেনিক্স। ভারতে যে মডেলটি ইনোভা হাইক্রস নামে বিক্রি হয়, তারই আপডেটেড সংস্করণ নিয়ে এসেছে সংস্থাটি। নতুন মডেলে কেবিন, ডিজিটাল ডিসপ্লে এবং বাইরের নকশায় একাধিক পরিবর্তন করা হয়েছে। এবার ভারতের বাজারেও এই ফেসলিফটেড এমপবিভিপির অপেক্ষা। রিপোর্ট অনুযায়ী, আগামী ২৬ নভেম্বর ২০২৬ ভারতে লঞ্চ হতে পারে নতুন টয়োটা ইনোভা হাইক্রস।

ইন্দোনেশিয়ায় নতুন কিজাং ইনোভা জেনিক্সের হাইব্রিড সংস্করণের দাম শুরু হয়েছে ৪৭৫.৪ মিলিয়ন ইন্দোনেশীয় রুপিয়া থেকে। জাকার্তার বাজারে ২.০ জি হাইব্রিড সিভিটি ভ্যারিয়েন্টটির ভারতীয় মুদ্রায় দাম আনুমানিক ২৪.৮৭ লাখ রুপি। ভারতে বর্তমান মডেলের এক্স-শোরুম দাম ১৯.৫৩ লাখ রুপি থেকে শুরু হয়ে ৩২.৯৫ লাখ রুপি পর্যন্ত যায়। নতুন ফেসলিফট সংস্করণের দাম কত হবে, তা এখনও ঘোষণা করেনি টয়োটা।

নতুন মডেলের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য আপডেট এসেছে কেবিনে। হাইব্রিড ভ্যারিয়েন্টগুলিতে থাকছে ১২.৩ ইঞ্চির ডিজিটাল ইন্সট্রুমেন্ট ক্লাস্টার। অন্যদিকে, ভি হাইব্রিড এবং তার উপরের ভ্যারিয়েন্টগুলোতে দেওয়া হয়েছে ১২.৩ ইঞ্চির ইনফোটেনমেন্ট টাচস্ক্রিন। পরীক্ষামূলক মডেলগুলোর ছবি থেকে আগে একটি উঁচু সেন্টার কনসোল এবং নতুন অটোমেটিক গিয়ার সিলেক্টরের ইঙ্গিত মিলেছিল। ফেসলিফটেড মডেলে সফটওয়্যারের উন্নতি, নতুন সিট আপহোলস্ট্রি এবং গাড়ির ভিতরে গাঢ় রঙের থিম থাকতে পারে বলেও রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। তবে আসন বিন্যাসে বড় কোনো পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই।

Toyota_Innova_Hycross_Ownership_review

বাইরের নকশাতেও বেশ কিছু পরিবর্তন করেছে টয়োটা। নতুন ইনোভা হাইক্রস ফেসলিফটে থাকছে আরও চৌকো ধরনের ফ্রন্ট গ্রিল, যার মধ্যে থাকবে ডায়মন্ড আকৃতির ডিজাইন। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সরু প্রজেক্টর হেডল্যাম্প এবং নতুন ডিজাইনের ফ্রন্ট বাম্পার।

সামনের বাম্পারের নিচের অংশে নতুন এয়ার ইনটেক ডিজাইন দেখা যেতে পারে। আগের পরীক্ষামূলক মডেলগুলোতে হেডল্যাম্পের তুলনায় কিছুটা উঁচু জায়গায় পিক্সেল-স্টাইলের এলইডি ফগ ল্যাম্পও দেখা গিয়েছিল। পাশাপাশি নতুন অ্যালয় হুইল এবং টেলল্যাম্পের ভেতরে পরিবর্তিত এলইডি গ্রাফিক্স থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে গাড়ির পাশের সামগ্রিক নকশা, টেলগেট, রুফ স্পয়লার, শার্ক ফিন অ্যান্টেনা এবং পেছনের ওয়াইপার আগের মতোই থাকতে পারে।

আরও পড়ুন: রেঞ্জ রোভারের বিশেষ এডিশনের যে গাড়ি কিনতে পারবেন মাত্র ১৮ জন ভাগ্যবান

নতুন মডেলে ইঞ্জিনের ক্ষেত্রে বড় কোনো পরিবর্তনের ইঙ্গিত নেই। আগের মতোই দুইটি পাওয়ারট্রেন বিকল্প থাকতে পারে। প্রথমটি ২.০ লিটারের ন্যাচারালি অ্যাসপিরেটেড পেট্রোল ইঞ্জিন, যা প্রায় ১৭৩ হর্সপাওয়ার শক্তি উৎপন্ন করে এবং এর সঙ্গে থাকবে সিভিটি গিয়ারবক্স। দ্বিতীয় বিকল্প হিসেবে থাকছে ২.০ লিটারের স্ট্রং হাইব্রিড পাওয়ারট্রেন, যার সম্মিলিত শক্তি প্রায় ১৮৪ হর্সপাওয়ার এবং এর সঙ্গে ই-সিভিটি ট্রান্সমিশন দেওয়া হবে। দাবি অনুযায়ী, পেট্রল সংস্করণের মাইলেজ ১৬.১৩ কিলোমিটার প্রতি লিটার এবং হাইব্রিড সংস্করণের মাইলেজ ২৩.২৪ কিলোমিটার প্রতি লিটার হতে পারে।

এজেড