অটোমোবাইল ডেস্ক
২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪৭ পিএম
মোটরসাইকেল বাজারে আরও বড় পরিসরে পা বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে জাপানি প্রস্তুতকারক সংস্থা ইয়ামাহা। সংস্থার ভারতীয় চেয়ারম্যান হাজিমে আওতা সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ভারতে নতুন মোটরসাইকেল আনার পরিকল্পনা খতিয়ে দেখছে ইয়ামাহা। সম্ভাব্য নতুন বাইকগুলোর ইঞ্জিন ক্ষমতা ২৫০ সিসি থেকে ১০০০ সিসির মধ্যে হতে পারে। এর ফলে ভবিষ্যতে ভারতীয় বাজারে বড় ইঞ্জিনের প্রিমিয়াম বাইক লঞ্চ করার জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
ভারতের বাজারে ইয়ামাহার বর্তমান প্রিমিয়াম মোটরসাইকেল লাইনআপে বেশ কিছু পরিবর্তন এসেছে। আরথ্রি এবং এমটি-থ্রি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর সংস্থার পোর্টফোলিও মূলত ছোট ইঞ্জিনের মডেলকে কেন্দ্র করেই ছিল।
সম্প্রতি ভারতে ইয়ামাহা আরটু লঞ্চ হওয়ার পর প্রিমিয়াম বাইক লাইনআপে নতুন মডেল যোগ হয়েছে। এবার চেয়ারম্যানের মন্তব্য থেকে স্পষ্ট যে, ভবিষ্যতে ইয়ামাহা আরও বড় ইঞ্জিনের বাইক নিয়ে ভারতীয় বাজারে আসতে পারে। ২৫০ সিসি থেকে ১০০০ সিসি পর্যন্ত এই ক্যাটাগরিতে নেকেড, স্পোর্টস এবং অ্যাডভেঞ্চার ঘরানার মোটরসাইকেল আনার দারুণ সুযোগ রয়েছে।

গত বছর অনুষ্ঠিত ভারত মোবিলিটি গ্লোবাল এক্সপোতে ইয়ামাহা দুইটি আকর্ষণীয় মডেল প্রদর্শন করেছিল, যার একটি হলো স্পোর্টস মোটরসাইকেল ইয়ামাহা আর সেভেন এবং অন্যটি অ্যাডভেঞ্চার ও দীর্ঘ দূরত্বের ভ্রমণের উপযোগী ইয়ামাহা টেনেরে সেভেন হান্ড্রেড।
বাইক দুইটি ভারতীয় বাইকপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। এখন ২৫০ সিসি থেকে ১০০০ সিসি সেগমেন্টে নতুন বাইক আনার পরিকল্পনার কথা সামনে আসায় এই জনপ্রিয় মডেলগুলো ভারতে আসার গুঞ্জন নতুন করে শুরু হয়েছে। যদিও ইয়ামাহা এখনও এগুলো লঞ্চের বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করেনি।
আরও পড়ুন: টিভিএসের এই সস্তা মোটরসাইকেল মাইলেজ দেয় লিটারে ৭০ কিমি
নতুন বাইক আনার পাশাপাশি ভারতে নিজেদের গবেষণা ও উন্নয়ন কার্যক্রম আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে ইয়ামাহার। ভবিষ্যতের বৈশ্বিক পরিকল্পনায় ভারতকে কেবল একটি সাধারণ বিক্রির বাজার হিসেবে নয়, বরং উৎপাদন ও উন্নয়নের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে চাইছে সংস্থাটি। ভারতের শক্তিশালী উৎপাদন পরিকাঠামো ও স্থানীয় সরবরাহ ব্যবস্থাকে কাজে লাগিয়ে ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থেকে রপ্তানির পরিমাণ বাড়ানোর লক্ষ্যও রয়েছে তাদের। ভবিষ্যতে এই বাইকগুলো স্থানীয়ভাবে তৈরি করা হলে আমদানিকৃত গাড়ির তুলনায় দামও নাগালের মধ্যে রাখা সম্ভব হতে পারে।
এজেড