অটোমোবাইল ডেস্ক
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৯ এএম
সম্প্রতি বাংলাদেশে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে লিটারে ২০ টাকা করে। ফলে যারা মোটরসাইকেল চালান তারা পড়েছেন বিপাকে। কেননা, বাইকপ্রেমীদের কাছে জ্বালানি খরচ একটি বড় বিষয়। প্রতিদিনের যাতায়াতে তেলের সাশ্রয় করতে পারলে পকেটের ওপর চাপ অনেকটাই কমে যায়। কিন্তু অনেক সময়ই দেখা যায়, সঠিক যত্ন ও অভ্যাসের অভাবে বাইক আশানুরূপ মাইলেজ দিচ্ছে না। সামান্য কিছু নিয়ম মেনে চললে সহজেই আপনার মোটরসাইকেলের মাইলেজ বাড়িয়ে নেওয়া সম্ভব। নিচে এমন ৫টি কার্যকরী উপায় আলোচনা করা হলো-
১. নিয়মিত টায়ার প্রেশার চেক করা অত্যন্ত জরুরি। টায়ারে বাতাসের পরিমাণ কম থাকলে ইঞ্জিনের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে, যা জ্বালানি বেশি খরচ করায়। তাই প্রতি সপ্তাহে একবার টায়ারের প্রেসার পরীক্ষা করে সঠিক মাত্রায় বাতাস রাখা উচিত।

২. নির্দিষ্ট সময় পরপর বাইকের ইঞ্জিন অয়েল বা মবিল পরিবর্তন করা দরকার। পুরনো বা মেয়াদোত্তীর্ণ মবিল ইঞ্জিনের ভেতরের পার্টসের ঘর্ষণ বাড়িয়ে দেয়, ফলে বাইক বেশি তেল টানে। সময়মতো মবিল বদলালে ইঞ্জিন যেমন সচল থাকে, তেমনি মাইলেজও বাড়ে।
৩. ট্রাফিক জ্যামে বা সিগন্যালে দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকার সময় ইঞ্জিন বন্ধ রাখা বুদ্ধিমানের কাজ। ইঞ্জিন স্টার্ট রেখে অলস বসে থাকলে কোনো কাজ ছাড়াই অপ্রয়োজনীয়ভাবে প্রচুর জ্বালানি অপচয় হয়।

৪. গিয়ার পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সঠিক নিয়ম মেনে চলা উচিত। লো-গিয়ারে বেশি গতি তোলার চেষ্টা করা বা প্রয়োজনের তুলনায় হাই-গিয়ারে বাইক টানলে ইঞ্জিনের ওপর প্রচণ্ড চাপ পড়ে। সঠিক গতিতে সঠিক গিয়ার ব্যবহার করলে জ্বালানি খরচ অনেক কমে যায়।
আরও পড়ুন: হোন্ডা অ্যাক্টিভা: হোন্ডার এই স্কুটার সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়
৫. নিয়মিত বাইক সার্ভিসিং করানো এবং এয়ার ফিল্টার পরিষ্কার রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এয়ার ফিল্টারে ময়লা জমে বাতাস চলাচলে বাধা সৃষ্টি হলে দহন প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়, যা মাইলেজ কমিয়ে দেয়। তাই নিয়মিত ফিল্টার পরিষ্কার বা পরিবর্তন করলে বাইক ভালো মাইলেজ দেয়।
এজেড