Dhaka Mail Logo

অটোমোবাইল

সূর্যের আলোতে চলবে এই ট্রাক্টর, কৃষকের খরচ হবে না এক টাকাও 

অটোমোবাইল ডেস্ক

২৮ আগস্ট ২০২৬, ১২:১৭ পিএম

কৃষিকাজে ট্র্যাক্টরের ব্যবহার ক্রমাগত বৃদ্ধি পেলেও ডিজেলের চড়া দাম এবং রক্ষণাবেক্ষণের খরচ কৃষকদের জন্য সবসময়ই একটি বড় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এই সমস্যার একটি কার্যকর সমাধান নিয়ে এসেছে আমেরিকার বিখ্যাত প্রতিষ্ঠান গোসান। তারা ‘মুনরাইডার ২৭’ নামের একটি নতুন কমপ্যাক্ট ইলেকট্রিক ট্র্যাক্টর বাজারে এনেছে, যা মূলত সূর্যের আলোতেই চার্জ হতে সক্ষম। এর ফলে কৃষকদের জ্বালানি খরচ অনেকাংশেই কমে যাবে। 

solar_tractor2

এই অভিনব ট্র্যাক্টরটিতে ২৭ হর্সপাওয়ারের একটি শক্তিশালী ইলেকট্রিক মোটর এবং ফোর-হুইল ড্রাইভ বা চার চাকা চালিত প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। এর পেছনে পাওয়ার টেক-অফ এবং হাইড্রোলিক থ্রি-পয়েন্ট হিচ থাকায় ঘাস কাটা, জিনিসপত্র টানা, জমি চাষ করা এবং জমি সমতল করার মতো কৃষির নানা কাজ খুব সহজেই করা সম্ভব। এছাড়া এর ছাদে ১,১০০ ওয়াটের একটি সোলার ক্যানোপি বা ছাতা যুক্ত করা হয়েছে, যা সরাসরি সূর্যের আলো থেকে ট্র্যাক্টরের ব্যাটারি চার্জ করতে পারে। তবে আবহাওয়া ও সূর্যালোকের ওপর নির্ভর করে এর চার্জিংয়ের তারতম্য হতে পারে। 

solar_tractor_3

সম্পূর্ণ চার্জ হওয়ার পর এই ইলেকট্রিক ট্র্যাক্টরটি একটানা প্রায় ৫ ঘণ্টা পর্যন্ত চলতে সক্ষম, যা কাজের চাপের ওপর নির্ভর করে কমবেশি হতে পারে। সোলার চার্জিংয়ের পাশাপাশি সাধারণ ২২০ ভোল্ট বিদ্যুৎ সংযোগের মাধ্যমেও এটি মাত্র আড়াই ঘণ্টায় শূন্য থেকে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত দ্রুত চার্জ করা যায়। ঐতিহ্যবাহী ডিজেল ইঞ্জিনের মতো এতে কোনো ইঞ্জিন অয়েল বা জটিল যান্ত্রিক যন্ত্রাংশ না থাকায় এর রক্ষণাবেক্ষণ খরচ খুবই কম। তাছাড়া এটি কোনো ধরনের ক্ষতিকর ধোঁয়া নির্গমন করে না। 

আরও পড়ুন: খরচ হবে না এক টাকাও, সূর্যের আলোতে চলবে এই বাইক

solar_tractor1

সাধারণ কৃষিকাজের পাশাপাশি বড় খামার বা প্রপার্টি পরিচালনার ক্ষেত্রেও এই কমপ্যাক্ট ট্র্যাক্টরটি বেশ উপযোগী। এমনকি এর ব্যাটারি থেকে বাইরের বিভিন্ন ইলেকট্রিক যন্ত্রপাতি চালানোর জন্য আলাদা পাওয়ার আউটলেট বা সোর্স রাখা হয়েছে। ২০২৭ সালের শুরুর দিকে এর বাণিজ্যিক বিক্রি শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে এবং বর্তমানে এর প্রি-অর্ডার নেওয়া শুরু হয়েছে। এই ট্র্যাক্টরটি সফল হলে ছোট কৃষক ও খামার মালিকদের জন্য এটি ডিজেলচালিত মেশিনের একটি দুর্দান্ত ও সাশ্রয়ী বিকল্প হয়ে উঠবে। 

এজেড