অটোমোবাইল ডেস্ক
২৭ জুন ২০২৬, ০৯:১০ এএম
ঢাকা থেকে খুলনা ভ্রমণের জন্য ট্রেন বর্তমানে সবচাইতে নিরাপদ, আরামদায়ক এবং জনপ্রিয় বাহন হিসেবে বিবেচিত। বিশেষ করে পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর ঢাকা-খুলনা রুটে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। প্রতিদিন শত শত যাত্রী স্বাচ্ছন্দ্যে গন্তব্যে পৌঁছাতে ট্রেনকেই বেছে নিচ্ছেন। আপনি যদি এই রুটে ভ্রমণের পরিকল্পনা করে থাকেন, তবে রেলওয়ের সর্বশেষ সময়সূচি ও ভাড়ার তালিকা জেনে নেওয়া আপনার জন্য সহায়ক হবে।
_20260627_091027115.webp)
ঢাকা টু খুলনা আন্তঃনগর ট্রেন
বর্তমানে ঢাকা (কমলাপুর) রেলওয়ে স্টেশন থেকে সরাসরি খুলনার উদ্দেশ্যে দুইটি প্রধান আন্তঃনগর ট্রেন নিয়মিত চলাচল করছে। এগুলো হলো-
সুন্দরবন এক্সপ্রেস (৭২৬)
দিনের বেলা ভ্রমণের জন্য এটি উপযুক্ত। ট্রেনটি সকাল ০৮:১৫ মিনিটে ঢাকা থেকে ছেড়ে বিকাল ১৫:৫০ মিনিটে খুলনায় পৌঁছায়। বুধবার এই ট্রেনটির সাপ্তাহিক ছুটি।

চিত্রা এক্সপ্রেস (৭৬৪)
রাতের ভ্রমণের জন্য এটি আদর্শ। ট্রেনটি সন্ধ্যা ১৯:৩০ মিনিটে ঢাকা থেকে যাত্রা শুরু করে পরদিন ভোর ০৫:০০ মিনিটে খুলনায় পৌঁছায়। রবিবার এই ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটি থাকে।
আরও পড়ুন: সিলেট থেকে ঢাকা ট্রেনের সময়সূচি: ভ্রমণের পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন
ঢাকা টু খুলনা ট্রেনের ভাড়ার তালিকা
ঢাকা থেকে খুলনা রুটে ট্রেন ভ্রমণের ক্ষেত্রে টিকিটের মূল্য আসন বিন্যাস বা শ্রেণি অনুযায়ী নির্ধারণ করা হয়। এক্ষেত্রে শোভন চেয়ার শ্রেণির টিকিটের মূল্য ৬২৫ টাকা, স্নিগ্ধা বা এসি চেয়ারের ভাড়া ১,১৯৬ টাকা, এসি সিটের ভাড়া ১,৪৩২ টাকা এবং এসি বার্থের ভাড়া ২,১৬৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে মনে রাখবেন, উল্লিখিত ভাড়ার সাথে সাধারণত ভ্যাট যুক্ত থাকে। এছাড়া অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে টিকিট সংগ্রহের ক্ষেত্রে ব্যাংক বা সার্ভিস চার্জ হিসেবে সামান্য কিছু অতিরিক্ত টাকা যুক্ত হতে পারে।

অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটার নিয়ম
লম্বা লাইনের বিড়ম্বনা এড়াতে বাংলাদেশ রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (eticket.railway.gov.bd) থেকে খুব সহজেই টিকিট সংগ্রহ করা সম্ভব। রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করার পর আপনার ভ্রমণের তারিখ ও গন্তব্য নির্বাচন করে বিকাশ, নগদ বা কার্ডের মাধ্যমে পেমেন্ট সম্পন্ন করলে টিকিট কনফার্ম হয়ে যাবে। টিকিট কেনার পর পিডিএফ কপিটি মোবাইলে সংরক্ষণ করা বা প্রিন্ট করে রাখা বুদ্ধিমানের কাজ।
ভ্রমণ টিপস
যাত্রাপথে কোনো প্রকার ভোগান্তি এড়াতে ভ্রমণের অন্তত ৩-৪ দিন আগে টিকিট সংগ্রহ করা জরুরি। এছাড়া ট্রেন ছাড়ার অন্তত ৩০ মিনিট আগে স্টেশনে উপস্থিত থাকা এবং আপনার ব্যক্তিগত মালামাল নিজ দায়িত্বে রাখা বাঞ্ছনীয়।
এজেড