images

অটোমোবাইল

মোটরসাইকেল মালিকদের থেকে অগ্রিম আয়কর যেভাবে নেওয়া হবে

অটোমোবাইল ডেস্ক

১৯ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম

বাংলাদেশে নিবন্ধিত প্রায় ৪৯ লাখ মোটরসাইকেল মালিকদের কাছ থেকে এআইটি বা অগ্রিম আয়কর আদায়ের পরিকল্পনা করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। এই কর আদায়ের প্রক্রিয়া নিয়ে সাধারণ মালিকদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে যাদের করযোগ্য আয় নেই বা ট্যাক্স আইডেন্টিফিকেশন নাম্বার (টিন) নেই, তাদের ক্ষেত্রে এই কর কীভাবে কার্যকর হবে তা নিয়ে পর্যালোচনা চলছে।

এনবিআর কর্মকর্তাদের মতে, আগামী অর্থবছরের বাজেটে মোটরসাইকেলসহ কর নেটওয়ার্কের বাইরে থাকা যানবাহনের ওপর এই অগ্রিম আয়কর আরোপের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হচ্ছে। বর্তমানে মোটরসাইকেল মালিকদের প্রতি বছর ট্যাক্স টোকেন ফি দিতে হয়। নতুন পরিকল্পনায় টিন নাম্বারের বিপরীতে এই কর আদায়ের চিন্তাই বেশি জোরালো। তবে ভিন্ন একটি চিন্তাও রয়েছে—টিন নাম্বার ছাড়াই বার্ষিক ট্যাক্স টোকেন ফির সাথে সরাসরি এই অগ্রিম আয়কর আদায় করা হতে পারে। এতে করযোগ্য আয় নেই এমন মালিকদের বাড়তি ঝামেলায় পড়তে হবে না।

dh

এনবিআরের প্রস্তাবিত খসড়া অনুযায়ী, ১১০ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেলকে এই অগ্রিম আয়করের বাইরে রাখা হতে পারে। তবে ১১১ সিসি থেকে ১২৫ সিসি পর্যন্ত বাইকের জন্য বার্ষিক ২ হাজার টাকা, ১৬৫ সিসি পর্যন্ত বাইকের জন্য ৫ হাজার টাকা এবং তার বেশি সিসির জন্য ১০ হাজার টাকা কর নির্ধারণের বিষয়ে আলোচনা চলছে। এছাড়া অটোরিকশার ক্ষেত্রেও এলাকাভেদে ১ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত কর নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: ঈদুল আজহায় হিরো মোটরবাইকে নগদ ছাড় ও উপহার

এদিকে মোটরসাইকেলের ওপর সম্ভাব্য এই নতুন কর আরোপের প্রতিবাদে সরব হয়েছেন বাইক মালিক ও চালকরা। তাদের দাবি, প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশে বাইকের দাম এমনিতেই বেশি। এছাড়া রাইড শেয়ারিং বা ডেলিভারি দিয়ে যারা জীবিকা নির্বাহ করেন, এই বাড়তি কর তাদের জীবন-জীবিকাকে সংকটে ফেলবে। জুন মাসে জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনের মাধ্যমেই এই পরিকল্পনাটি চূড়ান্ত রূপ পেতে পারে।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

এজেড