images

অটোমোবাইল

কম দামে সেকেন্ড হ্যান্ড মোটরসাইকেল কেনার উপায়

অটোমোবাইল ডেস্ক

১৬ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:২৪ এএম

অল্প টাকাতেই বাইক আরোহণের স্বপ্ন পূরণ এখন আর অসম্ভব নয়। বর্তমানে মাত্র ৫০ হাজার টাকা খরচ করলেই জেলা শহরগুলোতে বৈধ কাগজপত্রসহ পুরনো বাইক পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে ১০০ সিসি থেকে ১৬০ সিসি পর্যন্ত বাইকগুলোর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে বাজারে। তবে সঠিক নিয়ম না জেনে সেকেন্ড হ্যান্ড বা পুরনো বাইক কিনে অনেক সময় বিড়ম্বনায় পড়তে হয় ক্রেতাদের। নিশ্চিন্তে এবং দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারের জন্য পুরনো বাইক কেনার ক্ষেত্রে কিছু বিশেষ কৌশল অবলম্বন করা জরুরি।

কাগজপত্রের সত্যতা যাচাই সবচেয়ে জরুরি

সেকেন্ড হ্যান্ড বাইক কেনার ক্ষেত্রে যান্ত্রিক ত্রুটির চেয়েও বড় বিষয় হলো এর আইনি বৈধতা। ঢাকার পুরনো বাইক বিক্রেতা আরিফুল ইসলামের মতে, ‘গাড়ি যেমনই হোক না কেন, যদি এর কাগজপত্র সঠিক থাকে, তবেই সেটি কিনে নতুনের মতো নিশ্চিন্তে চালানো সম্ভব।’ তাই বাইক চূড়ান্ত করার আগে অবশ্যই বিআরটিএ-র তথ্যভাণ্ডারের সাথে ইঞ্জিন ও চেসিস নম্বর মিলিয়ে দেখা উচিত।

Buying-a-second-hand-motorcycle

যেসব নথিপত্র অবশ্যই সংগ্রহ করবেন

পুরনো বাইক কেনা-বেচার সময় পরবর্তী ঝুঁকি এড়াতে এবং নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে নির্দিষ্ট কিছু নথিপত্র বুঝে নেওয়া বাধ্যতামূলক। ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ের নিরাপত্তার স্বার্থে নিচের নথিপত্রগুলো যাচাই করুন-

ব্লু বুক বা রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট: বাইকটি কার নামে নিবন্ধিত তা নিশ্চিত হতে এটি প্রধান দলিল।

ট্যাক্স টোকেন: বাইকের সরকারি কর পরিশোধ করা আছে কি না এবং এর মেয়াদ কতদিন আছে তা যাচাই করুন।

সেলস লেটার বা বিক্রয় হলফনামা: বিক্রেতা যে আপনার কাছে বাইকটি হস্তান্তর করছেন, তার আইনি প্রমাণ হিসেবে এটি প্রয়োজন।

hand-20220424091304

মালিকের পরিচয়পত্র: বাইকের প্রথম মালিক বা বিক্রেতার জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি সংগ্রহে রাখুন।

নো অবজেকশন সার্টিফিকেট (NOC): যদি বাইকটি ব্যাংক ঋণে কেনা হয়ে থাকে, তবে ঋণ পরিশোধের ছাড়পত্র বা এনওসি বুঝে নিন।

আরও পড়ুন: সেকেন্ড হ্যান্ড মোটরসাইকেল কেনার পর করণীয়

যান্ত্রিক পরীক্ষা ও দরদাম

পুরনো বাইকের বাহ্যিক চাকচিক্য দেখে অনেক সময় ইঞ্জিন বা ভেতরের ত্রুটি বোঝা যায় না। তাই কেনার আগে অন্তত একবার অভিজ্ঞ মেকানিক দিয়ে বাইকটি পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া ভালো। বিশেষ করে চেইন স্প্রকেট, টায়ার, ব্রেক এবং ইঞ্জিনের শব্দ লক্ষ্য করুন। মনে রাখবেন, সঠিক নথিপত্র ও যান্ত্রিক অবস্থা যাচাই করে বাইক কিনলে আপনি কেবল আর্থিকভাবেই লাভবান হবেন না, বরং আইনি জটিলতা থেকেও মুক্ত থাকবেন।

এজেড