images

অটোমোবাইল

পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেলে কেন রঙ মেশানো হয়?

অটোমোবাইল ডেস্ক

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৯:২২ এএম

বাংলাদেশে অটোমোবাইলের জন্য ব্যবহৃত জ্বালানি—পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেলে বিশেষভাবে রঙ মিশিয়ে সরবরাহ করা হয়। এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে জ্বালানির সঠিক পরিচয় নিশ্চিত করা এবং ভেজাল প্রতিরোধ করা।

জ্বালানির ধরন আলাদা করার জন্য আলাদা রঙ ব্যবহার করা হয়। যেমন—

অকটেন সাধারণত হালকা সবুজ বা নীলচে রঙে চেনা যায়।

পেট্রোল সাধারণত হালকা হলুদাভ রঙের হয়।

ডিজেল কালচে বা গাঢ় রঙে সরবরাহ করা হয়।

color3

এই রঙ মেশানোর কারণে কয়েকটি সুবিধা পাওয়া যায়—

ভেজাল প্রতিরোধ: এক ধরনের জ্বালানিতে অন্য ধরনের জ্বালানি বা নিম্নমানের পদার্থ মিশিয়ে দেওয়া হলে তা সহজেই ধরা যায়।

সহজে চেনা: ক্রেতা ও ব্যবহারকারীরা শুধু রঙ দেখেই বুঝতে পারেন কোন জ্বালানি গাড়িতে দিচ্ছেন। এতে ভুল কম হয়।

main_petrol

নকল ঠেকানো: জ্বালানির গুণগত মান ও বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য এই রঙ একটি সিকিউরিটি মার্কারের মতো কাজ করে।

পরিবেশ সুরক্ষা: ভেজাল বা ভুল জ্বালানি ব্যবহার গাড়ির ইঞ্জিন নষ্ট করার পাশাপাশি পরিবেশ দূষণও বাড়ায়। রঙ মেশানোর কারণে এসব ঝুঁকি অনেকটা কমে।

rong

বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে সরবরাহ করা সব ধরনের জ্বালানি তেলেই এই রঙ মিশিয়ে দেওয়া হয়। ফলে ক্রেতারা নিশ্চিন্তে গাড়িতে নির্দিষ্ট জ্বালানি ব্যবহার করতে পারেন এবং বাজারে ভেজাল বা নকল জ্বালানির প্রবণতা অনেকটা নিয়ন্ত্রণে থাকে।

আরও পড়ুন: পেট্রোল-অকটেন কখন ভরতে হয় জানেন না বেশিরভাগ মানুষ

অটোমোবাইল বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু ইঞ্জিন সুরক্ষার জন্য নয়, বরং ভোক্তার স্বার্থ ও জ্বালানি বাজারের স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এজেড