অটোমোবাইল ডেস্ক
০৭ ডিসেম্বর ২০২৩, ১১:০৬ এএম
বাজারে ১২৫ সিসির মোটরসাইকেল সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়। এই সেগমেন্টে যতগুলো মডেলের মোটরসাইকেল আছে তার মধ্যে জনপ্রিয় নাম হোন্ডা এসপি এবং হিরো গ্ল্যামার। এই দুই মডেল থেকে কোনটি কিনবেন তা অনেকেই ঠিক করে উঠতে পারেন না। তাদের জন্য এই বাইকের তুলনা রইল এই প্রতিবেদনে।
আরও পড়ুন: রয়েল এনফিল্ড সেকেন্ড হ্যান্ড মোটরসাইকেল বিক্রি করবে
দামি বাইকের ভিড়ে আজও মানুষের কাছে ভরসার অপর নাম কমিউটার মোটরসাইকেল। পছন্দ অন্য কিছু হলেও, পকেটের দিকে তাকিয়ে এই ধরনের ১০০-১২৫ সিসি বাইক কেনার সিদ্ধান্তই নেন অধিকাংশ মধ্যবিত্ত। আর এই তালিকায় দুইটি অপ্রতিরোধ্য মোটরসাইকেল হোন্ডা এসপি ১২৫ এবং হিরো গ্ল্যামার।
এই দুই মোটরসাইকেলেই রয়েছে ১২৫ সিসি ইঞ্জিন। দামেও খুব বেশি ফারাক নেই। কিন্তু, অন্যান্য বৈশিষ্ট্যে রয়েছে পার্থক্য। যারা নতুন বাইক কিনতে চলেছে তারা এই দুই মোটরসাইকেল বিবেচনা করতে পারেন। কিন্তু, পারফরম্যান্স ও দামের বিচারের সেরার সেরা কোনটা তা জানতে দেখে নিন তুলনা।
হিরো গ্ল্যামার বাইক
হিরো গ্ল্যামারে পাবেন ১২৪.৭ সিসির সিঙ্গেল সিলিন্ডার ইঞ্জিন। যা সর্বোচ্চ ১০.৭ হর্সপাওয়ার এবং ১০.৬ এনএম টর্ক তৈরি করতে পারে। সঙ্গে রয়েছে ৫ স্পিড ম্যানুয়াল। বাইকের গতি ৯৫ কিমি প্রতি ঘণ্টা।
হোন্ডা এসপি ১২৫ বাইক
অন্যদিকে হোন্ডা এসপি ১২৫ বাইকে রয়েছে ১২৪ সিসি ইঞ্জিন। যা থেকে সর্বাধিক ১০.৭২ হর্সপাওয়ার এবং ১০.৯ এনএম টর্ক তৈরি করতে পারে। এতেও মিলবে ৫ স্পিড গিয়ার। এর সর্বোচ্চ গতি ১০০ কিমি প্রতি ঘণ্টা।

হিরো গ্ল্যামারের সঙ্গে হোন্ডা এসপি ১২৫ মডেলের তুলনা
হিরো গ্ল্যামারে প্রতি লিটারে ৫৫ কিলোমিটার মাইলেজ পাওয়া যায়। বাইকের রাইডিং রেঞ্জ ৫৫০ কিলোমিটার। এটির ফুয়েল ট্যাংক ক্যাপাসিটি ১০ লিটার। হোন্ডা এসপি প্রতি লিটারে ৬৫ কিমি মাইলেজ দেয়। ফুয়েল ট্যাংক ১১.২ লিটার হওয়ায় বাইকের রাইডিং রেঞ্জ ৭২৮ কিলোমিটার।
ব্রেকিং ও ফিচার্স
হিরো গ্ল্যামার ও হোন্ডা এসপি দুই বাইকেই রয়েছে ড্রাম ব্রেক, টিউবলেস টায়ার। ফিচার্সের ক্ষেত্রে পাবেন দুই বাইকেই ডিজিটাল ইনস্ট্রুমেন্ট কনসোল। হোন্ডা এসপি ১২৫ মডেলে গিয়ার ইন্ডিকেটর পাবেন, যা হিরো গ্ল্যামারে নেই। আবার হিরো গ্ল্যামারে রয়েছে ইউএসবি চার্জিং পোর্ট যা হোন্ডার বাইকে নেই।
এজেড