শনিবার, ২০ জুলাই, ২০২৪, ঢাকা

ব্লুটুথ প্রযুক্তির নাম ‘ব্লুটুথ’ কেন?

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৩ এপ্রিল ২০২৩, ০৬:৫৯ এএম

শেয়ার করুন:

ব্লুটুথ প্রযুক্তির নাম ‘ব্লুটুথ’ কেন?

ব্লুটুথ ১৯৯০ দশকের শেষের দিকে উদ্ভাবন হয়েছিল। শুরু থেকেই এটি বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করে। বর্তমানে এর চাহিদা ব্যাপক। তারহীন প্রযুক্তিতে এর বিকল্প নেই। স্মার্টফোন থেকে শুরু করে হেডফোন, মাউস, কি—বোর্ড, গেমিং কন্ট্রোলার ইত্যাদিতে ব্লুটুথের ব্যবহার হয়। এটি এমন একটি প্রযুক্তি যা মূলত দুটি ডিভাইসকে তার ছাড়াই সংযুক্ত করে। কিন্তু এর নাম ব্লুটুথ কেন রাখা হয়েছে? এর পিছনে রয়েছে এক মজার ইতিহাস। চলুন জেনে নিই ব্লুটুথ প্রযুক্তির নাম ‘ব্লুটুথ’ কেন।

ব্লুটুথ প্রযুক্তির নাম ‘ব্লুটুথ’ হওয়ার কারণ


বিজ্ঞাপন


মূলত একজন রাজার নাম অনুসারে ব্লুটুথ রাখা হয়েছে। কিন্তু ওই রাজার সঙ্গে প্রযুক্তির কোনো সম্পর্ক নেই। ব্লুটুথ উদ্ভাবন দলের একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য জিম কর্দাচ এই নামের ধারনা দেন। তিনি একবার ইতিহাস বইতে ওই রাজার সম্পর্কে পড়েছিলেন, যার চরিত্র থেকে এই প্রযুক্তির নামকরণ হয় ব্লুটুথ।

মূলত ১০ শতকের দিকে ডেনমার্কের রাজা হ্যারাল্ড ব্লুটুথ এর নামানুসারে ‘ব্লুটুথ’ রাখা হয়। কারণ, তিনি  স্ক্যান্ডিনেভিয়া রাজ্যের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের জন্য বেশ বিখ্যাত ছিলেন।

bluetoothব্লুটুথ যেভাবে ডিভাইসগুলো সংযুক্ত করে, একইভাবে রাজা হ্যারাল্ড ব্লুটুথ বহু রাজ্যকে একত্রিত করেছিলেন। স্ক্যান্ডিনেভিয়া রাজ্যের মধ্যে ছিল ডেনমার্ক, নরওয়ে এবং সুইডেন। এই কারণে জিম কর্দাচ এই প্রযুক্তির নাম ‘ব্লুটুথ’ রাখার প্রস্তাব দেন।

ব্লুটুথ এর আইকনটি লক্ষ্য করলে দেখা যায়, ডেনিস অক্ষর অনুযায়ী ‘H’ এবং ‘B’ রয়েছে। মূলত রাজা হ্যারাল্ড ব্লুটুথ এর নামের প্রথম অক্ষর ব্যবহার এটি করা হয়েছে।


বিজ্ঞাপন


এমএইচটি

ঢাকা মেইলের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর