রোববার, ১৪ জুন, ২০২৬, ঢাকা

স্বীকৃতি পেল দেশের ৪৯ উদ্ভাবন

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৪:৫৭ পিএম

শেয়ার করুন:

স্বীকৃতি পেল দেশের ৪৯ উদ্ভাবন

দেশের ৪৯টি উদ্ভাবনকে পুরস্কৃত করার মাধ্যমে গত শনিবার ১৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ডের পঞ্চম আসর। 

এসপায়ার টু ইনোভেট – এটুআই এর যৌথ উদ্যোগে অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানটির আয়োজনে ছিলো বাংলাদেশ ইনোভেশন কনক্লেভ। 


বিজ্ঞাপন


ঢাকার একটি হোটেলে জমকালো গালা আয়োজনের মাধ্যমে ২৬টি বিজয়ী এবং ২৩টি অনারেবল মেনশন সম্মাননায় এই বছরের সেরা উদ্ভাবন গুলোর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এর আগে  সকালে বাংলাদেশ বিজনেস ইনোভেশন সামিটের চতুর্থ আসরঅনুষ্ঠিত হয়।  

একটি স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনের প্রত্যয়ে আয়োজিত তৃতীয় বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেস্টের মূল আয়োজন ছিলো এই সামিট এবং অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানটি। 

এই বছর পুরস্কার বিতরণী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ পলক।

পলক বলেন, এই বছর ফেস্টটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্মার্ট বাংলাদেশ ২০৪১ এর রূপকল্প অনুসরণ করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। আমি খুবই আনন্দিত যে, আজকের এই আয়োজনে স্থানীয় বিশেষজ্ঞদের সাথে উদ্ভাবনের শীর্ষস্থানীয় কিছু বৈশ্বিক বিশেষজ্ঞ একাধিক বিষয়ে আলোচনা করেছেন। আমি নিশ্চিত যে এই আলোচনা এবং মত বিনিময়গুলো আমাদের সামগ্রিকভাবে উদ্ভাবনের দ্বারপ্রান্তে পৌছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।


বিজ্ঞাপন


প্রায় ৫ শতাধিক পেশাদার ও বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিদের সমাগমে ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ডের এইবারের আয়োজনটি ছিলো পরিপূর্ণ। 

এবারের সংস্করণে পুরস্কারের জন্য প্রায় ১০০টি প্রতিষ্ঠান থেকে ৩০০ এর অধিক নমিনেশন জমা পড়ে। তার মধ্যে ৯টি জুরি সেশনের মাধ্যমে ২১ টি ক্যাটেগরিতে ৪৯টি ইনোভেশনকে পুরস্কারের জন্য চূড়ান্তভাবে বাছাই করা হয়। জুরি প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছ এবং নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করেন দেশের সম্মানিত একাধিক ইন্ডাস্ট্রি বিশেষজ্ঞরা। 

দেশের প্রয়োজনীয় প্রতিটি সেক্টরে পরিচালিত এবং উদ্ভাবিত ইনোভেশন গুলোকে জনসমুক্ষে তুলে ধরার মাধ্যমে স্বীয় প্রতিষ্ঠান গুলোকে স্বীকৃতি প্রদানের একটি উপলক্ষ বাংলাদেশ ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ড আয়োজনটি। 

অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশ ইনোভেশন কনক্লেভের প্রতিষ্ঠাতা শরিফুল ইসলাম বলেন, আমাদের অর্থনৈতিক এবং সামাজিক জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রই ইনোভেশন বা উদ্ভাবন দ্বারা ব্যপকভাবে প্রভাবিত। আজকের এই সম্মাননাটি সেই বাস্তবতাকেই আমাদের সামনে তুলে ধরেছে। আমাদের দেশের প্রতিটি সেক্টরে একটি উদ্ভাবনী মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে এবং নতুন নতুন ক্ষেত্র খুঁজে বের করতে হবে যেখানে আমরা উদ্ভাবনকে লালন করতে পারি। এটি একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া এবং আমরা দীর্ঘ সময় নিয়ে এই প্রচেষ্টাকে বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর।

বাংলাদেশের বিভিন্ন সেক্টরে উদ্ভাবন প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যে এবং স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনের একটি রুপরেখা নির্মানে এই বছরের সামিটটি অনুষ্ঠিত হয়। 

এবারের সামিটের মূল আয়োজনে ছিলো ৩টি কিনোট সেশন, ৪টি প্যানেল ডিসকাশন, ৩টি ইনসাইট সেশন এবং ১টি কেস স্টাডি। 

এছাড়াও সামিটটির উল্লেখযোগ্য আকর্ষণ ছিল দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত মেধাবী শিক্ষার্থীদের পারস্পরিক আলোচনায় অনুষ্ঠিত ‘এমপাওয়ারিং ইয়ুথ থ্রু ইনোভেশন’ শীর্ষক প্যানেল ডিসকাশনটি।  

বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেস্ট ২০২৩ হচ্ছে বাংলাদেশ ইনোভেশন কনক্লেভের একটি উদ্যোগ। ইভেন্টটি আয়োজন এবং পরিচালনায় যুক্ত ছিল বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরাম।

এজেড

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর