ফোল্ডেবল স্মার্টফোনের বাজারে Google-এর নতুন সংযোজন Pixel 11 Pro Fold। আগের প্রজন্মের তুলনায় ডিজাইন, পারফরম্যান্স ও AI ফিচারে কিছুটা উন্নতি হলেও বড় কোনো বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনেনি সংস্থাটি।
ডিজাইন ও ডিসপ্লে
নতুন মডেলটি ২৩৯ গ্রাম ওজনের এবং আগের চেয়ে কিছুটা পাতলা ও কমপ্যাক্ট। এতে রয়েছে ৬.৫ ইঞ্চির বাইরের OLED ডিসপ্লে এবং ৮ ইঞ্চির ভিতরের ফোল্ডিং ডিসপ্লে। তবে ভিতরের স্ক্রিনের ভাঁজ বা ক্রিজের দাগ এখনও পুরোপুরি দূর হয়নি।

প্রসেসর ও পারফরম্যান্স
ফোনটিতে ব্যবহার করা হয়েছে ৩ ন্যানোমিটার প্রযুক্তির Google Tensor G6 প্রসেসর। TSMC-তে উৎপাদন সরানোর পর চিপসেটটির ক্লক স্পিড ৪.১GHz পর্যন্ত পৌঁছেছে। এর ফলে অ্যাপ ব্যবহার বা গেমিংয়ের সময় ল্যাগ কমেছে এবং পারফরম্যান্স বেশ ভালো পাওয়া যাচ্ছে।
নতুন AI ও সফটওয়্যার ফিচার
Android 16 চালিত এই ফোনে Gemini Intelligence, Gboard-এর Rambler ভয়েস টাইপিং, Magic Capture এবং একসঙ্গে তিনটি অ্যাপ ব্যবহারের জন্য Bubbles ফিচার যুক্ত করা হয়েছে। কিন্তু অ্যাপ অপ্টিমাইজেশনের সমস্যা এখনও রয়ে গেছে; Instagram বা YouTube-এর মতো অনেক জনপ্রিয় অ্যাপ বড় স্ক্রিনের সাথে পুরোপুরি মানিয়ে নিতে পারে না।
![]()
ক্যামেরা ও ব্যাটারি
ক্যামেরা হার্ডওয়্যারে বিশেষ পরিবর্তন আসেনি। ৪৮ মেগাপিক্সেল প্রধান ক্যামেরা ও ৫X অপটিক্যাল জুমের টেলিফটো লেন্স ভালো ছবি তুললেও আলট্রা-ওয়াইড লেন্সের পারফরম্যান্স কিছুটা দুর্বল। এতে থাকা ৪,৮০৬mAh ব্যাটারি একদিনের ব্যাকআপ দিলেও তা পূর্ববর্তী মডেলের চেয়ে কিছুটা পিছিয়ে।
আরও পড়ুন: মটোরোলা রেজোর ফ্লেক্স ২৭ ফোল্ডেবল ফোনের তথ্য ফাঁস
এই ফোন কেনা কতটা লাভজনক হবে?
উন্নত হার্ডওয়্যার, Tensor G6-এর গতি এবং সেরা AI অভিজ্ঞতা চাইলে এটি ভালো পছন্দ হতে পারে। তবে ক্যামেরা, ব্যাটারি ও অ্যাপ অপ্টিমাইজেশনকে অগ্রাধিকার দিলে কেনার আগে বাজারে থাকা প্রতিদ্বন্দ্বী মডেলগুলোর কথা ভাবা উচিত।
এজেড




