ফোন বা ট্যাবলেটের স্ক্রিনে লাগানো টেম্পারড গ্লাসের নিচে বাতাস বা বাবলস জমলে অনেকেরই নতুন গ্লাস লাগানোর জন্য দোকানে ছোটেন। তবে সামান্য সচেতনতা ও সঠিক কৌশল জানা থাকলে ঘরে বসেই এই সমস্যা সমাধান করা সম্ভব। এর ফলে যেমন নতুন গ্লাস কেনার বাড়তি খরচ বাঁচে, তেমনই স্ক্রিনের সৌন্দর্য ও টাচ রেসপন্সও সঠিক থাকে।
বাবলস তৈরির মূল কারণ
স্ক্রিন ও টেম্পারড গ্লাসের মাঝখানে মূলত দুইটি কারণে বাবলস তৈরি হতে পারে। প্রথমত, গ্লাস লাগানোর সময় মাঝখানে বা কিনারায় বাতাস আটকে ছোট ছোট ফাঁকা জায়গা তৈরি হওয়া। দ্বিতীয়ত, স্ক্রিনে ধুলাবালি, ময়লা, কাপড়ের সূক্ষ্ম তন্তু বা আঙুলের তেল আটকে থাকা। এর ফলে গ্লাসের নিচের সিলিকন আঠা ঠিকমতো স্ক্রিনের সঙ্গে বসতে পারে না এবং আঠার কার্যকারিতা কমে যায়।

বাবলস দূর করার সহজ পদ্ধতি
শুধুমাত্র বাতাস আটকে গিয়ে বাবলস তৈরি হলে একটি মাইক্রোফাইবার কাপড়ের মধ্যে এটিএম বা প্লাস্টিকের কোনো কার্ড মুড়ে নিন। এরপর বাবেলটিকে ধীরে ধীরে স্ক্রিনের কিনারার দিকে ঠেলে বের করে দিন। কার্ডের চারপাশে কাপড় মুড়ে নেওয়া জরুরি, যাতে টেম্পারড গ্লাসে কোনো আঁচড় না পড়ে। এভাবে কাজ না হলে, যে কিনারার কাছে বাবলস রয়েছে সেখান থেকে সাবধানে গ্লাসটি সামান্য তুলে বাতাস বের করে দিন এবং ধীরে ধীরে আবার স্ক্রিনের উপর বসিয়ে দিন। তবে গ্লাসটি কখনই ঝটকা দিয়ে তুলবেন না, এতে সেটি ফেটে যেতে পারে।
_20261030_102219946.jpeg)
কখন টেম্পারড গ্লাস বদলানো উচিত?
যদি টেম্পারড গ্লাসের নিচে ধুলার কণা আটকে থাকে বা বারবার গ্লাসটি তোলার কারণে আঠার কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যায়, তবে বাবলস সরানো কঠিন হয়। টেপের সাহায্যে ধুলো সরানোর চেষ্টা করা গেলেও তা যথেষ্ট ধৈর্য ও সতর্কতার সাপেক্ষ। দু-চারবার চেষ্টার পরও বাবলস না সরলে জোর না করে নতুন টেম্পারড গ্লাস লাগিয়ে নেওয়াই শ্রেয়, কারণ বারবার টানাটানিতে ফোনের স্ক্রিন ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
আরও পড়ুন: সফটওয়্যার আপডেটের পর ফোন রিস্টার্ট কেন জরুরি?
সতর্কতা
বাবলস সরানোর সময় ভুলেও কোনো পিন, সুঁচ বা ধারালো ধাতব বস্তু ব্যবহার করবেন না; এতে ফোনের স্ক্রিন নষ্ট হতে পারে। কাজটি করার সময় ঘরের ফ্যান বন্ধ রাখুন যাতে বাতাসে ভেসে থাকা ধুলো গ্লাসের নীচে নতুন করে আটকে না যায়। পাশাপাশি, ফোনের ডিসপ্লের ওপর অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগ থেকে বিরত থাকুন।
এজেড




