ডিজিটাল স্ক্রিন ও শর্ট ভিডিওর ভিড়ে মানুষের পড়ার ধৈর্য কি সত্যিই কমে যাচ্ছে—এমন এক সমসাময়িক ভাবনা নিয়ে লেখা নিবন্ধে উঠে এসেছে বর্তমান প্রজন্মের মনোযোগ ও প্রযুক্তির নানা প্রভাবের কথা। হাতে ই-রিডার বা হাজারো বইয়ের সহজলভ্যতা সত্ত্বেও রিল বা ছোট ভিডিওর প্রতি অতিরিক্ত আকর্ষণের কারণে বড় লেখা, দীর্ঘ বই বা গভীর মনোযোগ দিয়ে পড়ার অভ্যাসটি কীভাবে দিন দিন সংকুচিত হয়ে পড়ছে, তা এই লেখায় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

বর্তমান সময়ে চারপাশের নানা প্রতিযোগিতার কারণে বই পড়ার অভ্যেসে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। সারাক্ষণ স্ক্রিনে চোখ রাখা এবং চোখের পলকে ভিডিও বদলে ফেলার মানসিকতা মানুষের মনোযোগের পরিধি বা মনোযোগ ধরে রাখার ক্ষমতাকে প্রভাবিত করছে।

বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক গবেষণার তথ্য টেনে নিবন্ধটিতে দেখানো হয়েছে যে, ঘনঘন ফোন দেখার প্রবণতা এবং ছোট ভিডিওর ব্যবহার কীভাবে মানুষের দীর্ঘ সময় ধরে কোনো একটি বিষয়ে মনোযোগ ধরে রাখার ক্ষমতা কমিয়ে দিচ্ছে। তবে এর অর্থ এই নয় যে প্রযুক্তি বইয়ের শত্রু, বরং ই-বুক বা অডিওবুক পড়ার সুযোগকে আরও সহজ করেছে।

আরও পড়ুন: এআই দিয়ে তৈরি স্প্যাম ও এআই কনটেন্ট শনাক্তের উদ্যোগ জোরদার করছে টিকটক
পড়ালেখার এই অনভ্যাসের পাশাপাশি ছোটবেলা থেকেই আনন্দের ছলে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার ইতিবাচক দিকগুলোও আলোচনা করা হয়েছে। ক্লাসিক বা ভারী কোনো বই দিয়ে শুরু না করে কমিকস, কবিতা বা নিজের পছন্দের যেকোনো ছোট বই দিয়ে পড়ার অভ্যাস শুরু করা যেতে পারে। প্রযুক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ না করে বরং স্ক্রিন ব্যবহারের পাশাপাশি বই পড়ার জন্য কিছুটা সময় আলাদা করে রাখা এবং জীবনের একঘেয়েমি বা একাকীত্ব কাটানোর মাধ্যম হিসেবে বইকে পুনরায় ফিরিয়ে আনার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।
এজেড




