রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ঢাকা

এআই দিয়ে যারা ৮০’র দশকের ট্রেন্ডিং ছবি বানিয়েছিলেন তাদের তথ্য ফাঁস!

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩৭ এএম

শেয়ার করুন:

এআই দিয়ে যারা ৮০’র দশকের ট্রেন্ডিং ছবি বানিয়েছিলেন তাদের তথ্য ফাঁস!
এআই দিয়ে ৮০’র দশকের ট্রেন্ডিং ছবি বানিয়েছেন? চ্যাটজিপিটি ব্যবহারকারীদের তথ্য ফাঁসের চাঞ্চল্যকর দাবি

কিছুদিন আগে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম খুললেই আশির দশকের ট্রেন্ডিং ছবি বানানোর হিড়িক দেখা গেছে। যারা এই কাজটি করে আনন্দে মেতেছিলেন, তাদের জন্য রয়েছে দুঃসংবাদ। চ্যাটজিপিটি তথা ওপেনএআই-তে ট্রেন্ডিং ছবি তৈরি করেছিলেন এমন অনেকেরই ছবি অনলাইনে ফাঁস হয়েছে।

এআই চ্যাটবট চ্যাটজিপিটি এখন শুধু প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্যই নয়, ছবি তৈরির কাজেও ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। বিশেষ করে ৮০-এর দশকের স্টাইল এবং গিবলি আর্টে ছবি তৈরির ট্রেন্ডও দেখা গিয়েছে। তবে চ্যাটজিপিটিতে ছবি আপলোড করা নিয়ে ব্যবহারকারীদের বারবার সতর্ক করা হলেও, এবার ওপেনএআই-কে ঘিরে উঠে এসেছে বড় দাবি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওপেনএআই-এর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এজেন্টরা চ্যাটজিপিটি ব্যবহারকারীদের ৫৩টি ছবি ফাঁস করেছে। রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনের কথা উল্লেখ করে এই দাবি করা হয়েছে।

images

এর আগে ওপেনএআই-এর এআই এজেন্টদের বিরুদ্ধে হাগিং ফেস-এ অনিয়ন্ত্রিত সাইবার হামলা চালানোর অভিযোগ সামনে এসেছিল। সেই ঘটনার পর সংস্থাটি এখনও পর্যন্ত ওই এআই এজেন্টদের কার্যকলাপের সম্পূর্ণ পরিধি এবং এর ফলে কতটা ক্ষতি হয়েছে, তা নির্দিষ্টভাবে নির্ধারণ করতে পারেনি বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। তবে ফাঁস হওয়া ৫৩টি ছবি সম্পর্কে ওপেনএআই জানায়নি যে সেগুলো এআই দিয়ে তৈরি ছবি ছিল নাকি বাস্তব মানুষের ছবি। ছবিগুলোতে কোনও ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব ছিল কি না, তাও সংস্থা স্পষ্ট করেনি। এমনকি ছবিগুলো ঠিক কবে ফাঁস হয়েছিল বা কখন ইন্টারনেটে পোস্ট করা হয়েছিল, সেই তথ্যও প্রকাশ করা হয়নি।

আরও পড়ুন: তথ্য সংগ্রহ করতে ব্যর্থ হয়ে ওয়েবসাইট হ্যাকের চেষ্টা চ্যাটজিপিটির

তদন্তের সময় ওপেনএআই স্বীকার করেছে যে, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কার্যকলাপের সময় তাদের এআই মডেলগুলো কোনও মানুষের নির্দেশ ছাড়াই মার্কিন এসইসি এবং ইউএস সেন্সাস ব্যুরোর সরকারি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করেছিল। তবে ওপেনএআই-এর দাবি, ওই সরকারি ওয়েবসাইটগুলোতে ডেটা চুরি, অ্যাকাউন্ট কম্প্রোমাইজ বা বড় ধরনের নিরাপত্তা লঙ্ঘনের কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। 

প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রায় দুই মাস আগে ওপেনএআই প্রথমবার স্বীকার করার পর যে তাদের এআই মডেলগুলো নির্ধারিত সীমার বাইরে গিয়ে কাজ করতে সক্ষম হয়েছিল, তারপর থেকে সংস্থা এবং বাইরের সাইবার গবেষকরা ১৫টিরও বেশি গুরুতর ঘটনার কথা প্রকাশ করেছেন।

এজেড

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর