দেশের অনলাইন শপিং প্ল্যাটফর্ম দারাজ বাংলাদেশ ১৪ আগস্ট থেকে দেশজুড়ে ‘ফাস্ট ডেলিভারি’ চালু করছে। এর মাধ্যমে ক্রেতা বা বিক্রেতার কোনো অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই যোগ্য পণ্য আরও দ্রুত পৌঁছে দেওয়া হবে।
দেশজুড়ে চালু হতে যাওয়া ফাস্ট ডেলিভারি গ্রাহকদের অনলাইন কেনাকাটা আরও দ্রুত, সহজ ও নির্ভরযোগ্য করবে। একই সঙ্গে, এটি বাংলাদেশের ই-কমার্স খাতের উন্নয়নে দারাজের চলমান প্রচেষ্টার অংশ। ‘ফাস্ট ডেলিভারি’ ট্যাগ থাকা পণ্যগুলো এমন বিক্রেতাদের কাছ থেকে আসবে, যারা নিয়মিত ভালোভাবে পণ্য প্রস্তুত ও সময়মতো ডেলিভারি দিয়ে থাকেন। এটি গ্রাহকদের এমন পণ্য শনাক্ত করতে সাহায্য করবে যা দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্যভাবে ডেলিভারি করা সম্ভব।

উদ্বোধনের সময় লাইফস্টাইল, এফএমসিজি (গ্রোসারিস), ইলেকট্রনিক্স ও ফ্যাশন বিভাগের প্রায় ৫০ হাজার পণ্য ফাস্ট ডেলিভারির জন্য পাওয়া যাবে। এই সুবিধা দেবে সারা দেশের ২৫০০-এর বেশি বিক্রেতা, যারা ইতিমধ্যেই ফাস্ট ডেলিভারি প্রোগ্রামের নির্ধারিত মান পূরণ করছেন। ক্রেতা ও বিক্রেতার জন্য কোনো অতিরিক্ত খরচ না রেখে দ্রুত ডেলিভারি নিশ্চিত করতে দারাজ দেশজুড়ে তার লজিস্টিকস ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করেছে।
দারাজ বাংলাদেশের চিফ কমার্শিয়াল অফিসার কামরুল হাসান বলেন ‘আজকের গ্রাহকরা চান অনলাইন শপিং তাদের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে সহজেই মানিয়ে চলুক। ফাস্ট ডেলিভারি সেই চাহিদা পূরণেরই একটি উদ্যোগ।
তিনি জানান, এটি শুধু একটি সেবা উন্নয়নের উদ্যোগ নয়। এর মাধ্যমে গ্রাহকরা আরও নির্ভরযোগ্য ও দ্রুত ডেলিভারি পাবেন, পাশাপাশি বিক্রেতারাও দ্রুত বাড়তে থাকা ই-কমার্স বাজারে আরও ভালোভাবে প্রতিযোগিতা করতে পারবেন। লজিস্টিকস ব্যবস্থায় বিনিয়োগের মাধ্যমে দারাজ গ্রাহকদের নিশ্চিন্তে কেনাকাটা এবং বিক্রেতাদের আরও ভালো সেবা দেওয়ার সুযোগ তৈরি করছে।

আগামী ১৪ আগস্ট থেকে কেনাকাটার সময় ‘ফাস্ট ডেলিভারি’ সুবিধা সহজেই দেখা যাবে। যোগ্য পণ্যগুলো চিহ্নিত করতে প্রোডাক্ট পেজে বিশেষ ট্যাগ ও নতুন সার্চ ফিল্টার থাকবে। সাধারণ চেকআউট মূল্যের বাইরে এই সেবার জন্য কোনো অতিরিক্ত ফি, কমিশন বা সারচার্জ দিতে হবে না। বিক্রেতাদের জন্য, ‘ফাস্ট ডেলিভারি’ তাদের ভালো পারফরম্যান্স তুলে ধরার পাশাপাশি গ্রাহকদের দ্রুত পণ্য পৌঁছে দেওয়ার সুযোগ তৈরি করবে।
বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দারাজ দেশজুড়ে লক্ষ লক্ষ গ্রাহকের জন্য অনলাইন কেনাকাটাকে আরও সহজলভ্য, নির্ভরযোগ্য ও সুবিধাজনক করে তুলতে প্রযুক্তি, লজিস্টিকস এবং বিক্রেতাদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বিনিয়োগ অব্যাহত রেখেছে।
এজেড




