প্রচণ্ড গরমে এসি ঠিকমতো ঠান্ডা না করলে অস্বস্তি বাড়ে। এসির এমন সমস্যার পেছনে প্রযুক্তিগত ত্রুটি বা ব্যবহারিক কিছু ভুল থাকতে পারে। অযথা মেকানিক ডাকার আগে সমস্যাগুলো বুঝে নেওয়া জরুরি, যাতে সহজেই সমাধান করা যায়।
এসি কম ঠান্ডা হওয়ার প্রধান কারণ হলো ইনডোর ইউনিটের নোংরা এয়ার ফিল্টার। দীর্ঘ সময় ব্যবহারের ফলে ফিল্টারে ধুলা জমে বাতাসের প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। প্রতি দুই সপ্তাহে একবার ফিল্টার খুলে পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে নিলে কুলিং ক্ষমতা বাড়ে। ফিল্টার পরিষ্কার থাকার পরও ঠান্ডা বাতাস না এলে বুঝতে হবে রেফ্রিজারেন্ট বা কুলিং গ্যাস কমে গেছে। পাইপলাইনে ছিদ্র বা লিকেজ থাকলে গ্যাস বেরিয়ে যায়, ফলে কম্প্রেসারের ওপর চাপ পড়ে বিদ্যুৎ বিল বাড়ে।
বিজ্ঞাপন

আউটডোর ইউনিটের দিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন। সেখানে ধুলা জমলে বা সরাসরি রোদ পড়লে গরম বাতাস সঠিকভাবে বাইরে বের হতে পারে না।
এছাড়া ঘরের আয়তনের তুলনায় এসির ক্ষমতা কম হলেও ঘর ঠান্ডা হতে চায় না। আবার থার্মোস্ট্যাটের ভুল সেটিংসেও ঘর গরম থাকতে পারে।
আরও পড়ুন:
বিজ্ঞাপন
আরামদায়ক শীতলতার জন্য তাপমাত্রা ২২ থেকে ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে রাখা উচিত। ঘরের দরজা-জানালা খোলা থাকলে বা ফাঁক থাকলে ঠান্ডা বাতাস বেরিয়ে যায়, তাই ঘর সিল করে রাখা জরুরি।

এসি চলছে অথচ ফ্যানের মতো বাতাস দিচ্ছে, এর মানে কম্প্রেসার কাজ করছে না। লো ভোল্টেজের কারণে কম্প্রেসার চালু হতে সমস্যা হতে পারে। সেক্ষেত্রে স্টেবিলাইজার পরীক্ষা করা প্রয়োজন। এয়ার ফিল্টার, তাপমাত্রা, দরজা-জানালার সিল এবং আউটডোর ইউনিটের সামনে কোনো বাধা আছে কি না, এগুলো প্রথমে নিজেই পরীক্ষা করুন। তবে গ্যাস লিকেজ, কম্প্রেসার বিকল হওয়া বা ওয়্যারিং সংক্রান্ত বড় সমস্যার ক্ষেত্রে দ্রুত পেশাদার টেকনিশিয়ানের সাহায্য নিন।
এজেড




