বাংলাদেশের মহাকাশ, স্যাটেলাইট ও ড্রোন প্রযুক্তির উন্নয়নে সরকার বহুমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।
তিনি বলেন, আধুনিক যুগে মহাকাশ প্রযুক্তি কেবল বিলাসিতা নয়, বরং কৃষি, মৎস্য, যোগাযোগ ও জাতীয় নিরাপত্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোর জন্য এটি একটি অপরিহার্য অবকাঠামো হিসেবে কাজ করছে।
বিজ্ঞাপন
সোমবার (১৮ মে) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘স্যাটেলাইট, ড্রোনস অ্যান্ড ফিউচার স্পেস টেকনোলজি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: ফাইভজির যুগে ফোরজি সম্প্রসারণ কতটা যৌক্তিক?
মন্ত্রী তার বক্তব্যে স্যাটেলাইট প্রযুক্তির বহুমুখী ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি জানান, দুর্যোগের পূর্বাভাস প্রদান, নদীভাঙন পর্যবেক্ষণ এবং গভীর সমুদ্রে অবস্থানরত জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই প্রযুক্তি কার্যকর ভূমিকা রাখছে। বিশেষ করে উপকূলীয় অঞ্চলে বৈরী আবহাওয়ার খবর দ্রুত পৌঁছানোর জন্য সরকার বিশেষ কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। ড্রোন প্রযুক্তি সম্পর্কে তিনি বলেন, এটি এখন কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়, বরং সীমান্ত সুরক্ষা এবং কৃষি ব্যবস্থাপনায় এক শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম।
বিজ্ঞাপন
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, সরকার শিগগিরই লো আর্থ অরবিট (LEO) ভিত্তিক নতুন স্যাটেলাইট স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে, যা থেকে আরও নিখুঁত ও কার্যকরী তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হবে। তিনি মহাকাশ গবেষণার তথ্য ব্যবহারে বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের (বিএসসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. ইমাদুর রহমান। সেমিনারে সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞ ও প্রকৌশলীরা উপস্থিত ছিলেন।
এজেড



