ইতোমধ্যে ঢাকা শহরের বিভিন্ন আবাসিক এলাকা, এয়ারপোর্ট, রেল স্টেশন, বিভিন্ন রেস্টুরেন্টসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রায় ৪০টি এলাকায় ৫জি সেবা চালু করা হয়েছে। এছাড়াও কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, রংপুর, বরিশাল, খুলনা, সিলেটসহ সারাদেশের প্রায় ৪০০টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্বল্প পরিসরে ৫জি সেবা চালু করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সংসদে রাজবাড়ী-২ আসনের সরকারি দলের সদস্য মো. হারুন-অর-রশিদের লিখিত প্রশ্নের জবাবে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনামের পক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এ তথ্য জানান।
বিজ্ঞাপন
মন্ত্রী বলেন, ৫জি'র পূর্ণাঙ্গ সেবা পেতে হলে ভার্টিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিগুলো তথা কৃষি, চিকিৎসা, শিক্ষা, ম্যানুফেকচারিং প্রভৃতি ইন্ডাস্ট্রির রিডিংনেস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট বিবেচনায় ৫জি প্রযুক্তির ইকোসিস্টেম ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত সেক্টর নির্বাচন করার বিষয়ে কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বাংলাদেশের বিভাগীয় শহরগুলোর আবাসিক ও শিল্প এলাকাগুলো এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে স্বল্প পরিসরে ৫জি প্রযুক্তি চালুর কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
তিনি জানান, ৫জি'র উপযোগীকরণে বিটিসিএল-এর 'অপটিক্যাল ফাইবার ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক উন্নয়ন' প্রকল্পের আওতায় বিটিসিএল এর ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ককে নিরবচ্ছিন্ন করার লক্ষ্যে সমগ্র বাংলাদেশের ৬৪টি জেলা এবং সংশ্লিষ্ট উপজেলাসমূহকে ব্যাকআপ অপ্টিকাল ফাইবার ক্যাবল লিংক সুবিধার আওতায় আনা হচ্ছে।
পাশাপাশি ঢাকা মেট্রো এলাকায় ব্যাকআপ লিংক তৈরিকরণসহ জেলা থেকে জেলা এবং জেলা থেকে উপজেলা পর্যন্ত উচ্চগতির ব্যান্ডউইথ বিতরণের জন্য প্রয়োজনীয় এএসওএন (অটোমেটিকালী সুইসড অপ্টিকাল নেটওয়ার্ক) ইনাবেল ডিডব্লিউডিএম যন্ত্রপাতি স্থাপন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এ পর্যন্ত অপটিক্যাল ফাইবার ও যন্ত্রপাতি স্থাপনের প্রায় ৭৯ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। প্রকল্পটি আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
বিজ্ঞাপন
জেবি




