পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে লাখো মানুষ প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটাতে বাড়ির পথে রওনা হচ্ছেন। গ্রাহকদের যাত্রাপথের প্রতিটি মুহূর্তে এবং ঈদের সময়ে নির্বিঘ্ন সংযোগ নিশ্চিত করতে সারা দেশে নিজেদের নেটওয়ার্ক আরও শক্তিশালী করেছে দেশের অন্যতম শীর্ষ ডিজিটাল অপারেটর বাংলালিংক।
নিজেদের ‘পিপল–ফার্স্ট’ দর্শন ও সেবামুখী উদ্যোগের অংশ হিসেবে এই পদক্ষেপ নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। বাংলালিংকের কাছে সংযোগ মানে শুধুমাত্র প্রযুক্তি নয়; এটি মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক ও একসঙ্গে কাটানো মুহূর্তের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত। ঈদ এমন এক সময়, যখন আবেগ, মিলন ও আপনজনের সান্নিধ্য বিশেষ অর্থ বহন করে—আর তাই এই সময়ে সংযুক্ত থাকা আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
বিজ্ঞাপন
ঈদকে কেন্দ্র করে যাতায়াতের চাপ বাড়ার আগেই নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করার মাধ্যমে গ্রাহকদের এসব মূল্যবান মুহূর্তে নির্ভরযোগ্য সংযোগ নিশ্চিত করতে চায় বাংলালিংক, যাতে তারা নিশ্চিন্তে প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটাতে পারেন।
আরও পড়ুন: এই ঈদে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য রিয়েলমির বিশেষ আয়োজন ‘ঈদের হাসি’
গত এক বছরে দেশের বিভিন্ন স্থানে ৭৫০টির বেশি নেটওয়ার্ক সাইট আধুনিকায়ন করেছে ডিজিটাল অপারেটরটি। এর ফলে নেটওয়ার্ক কভারেজ বিস্তৃত হয়েছে, সক্ষমতা বেড়েছে এবং সার্বিক নেটওয়ার্ক পারফরম্যান্স উন্নত হয়েছে। বিশেষ করে ঈদের সময় শহর, জেলা ও গ্রামের মধ্যে যাতায়াত ও যোগাযোগ বেড়ে যাওয়ায় এই আধুনিকায়ন আরও গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক হয়ে ওঠে।
নেটওয়ার্ক উন্নত করা এলাকাগুলোতে গ্রাহকেরা এখন আগের তুলনায় সর্বোচ্চ ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত দ্রুতগতির ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন। ফলে ব্রাউজিং হবে আরও মসৃণ, ভিডিও কলে পাওয়া যাবে পরিষ্কার অভিজ্ঞতা এবং নিরবচ্ছিন্নভাবে ভিডিও স্ট্রিমিং করা যাবে। মহাসড়ক, বাস ও রেলস্টেশন কিংবা নিজ নিজ গ্রামে—ঈদের পুরো ছুটিজুড়েই গ্রাহকেরা উন্নত সংযোগ সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।
বিজ্ঞাপন
নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ নিশ্চিত করতে বাংলালিংকের আরও রয়েছে ওয়াই–ফাই কলিং (ভিওওয়াইফাই) সুবিধা। এর মাধ্যমে গ্রাহকেরা ওয়াই–ফাই ব্যবহার করে কল করা ও গ্রহণ করতে পারবেন। বিশেষ করে যেসব জায়গায় মোবাইল সিগন্যাল তুলনামূলক দুর্বল—যেমন ভবনের ভেতরে বা উঁচু অ্যাপার্টমেন্টে—সেখানে এই সুবিধা কার্যকর হবে। ফলে গুরুত্বপূর্ণ কোনো কথোপকথন মিস হওয়ার আশঙ্কাও কমবে।
এ প্রসঙ্গে বাংলালিংকের চিফ টেকনোলজি অ্যান্ড ইনফরমেশন অফিসার (সিটিআইও) হুসেইন তুর্কার বলেন, ‘ঈদ এমন একটি বিশেষ সময়, যখন লাখো মানুষ প্রিয়জনদের কাছে ফিরে যান এবং একসঙ্গে জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান মুহূর্তগুলো কাটান। এই সময়ে যেন যোগাযোগ নির্বিঘ্ন থাকে, সেটিই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। সারা দেশে নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করা এবং ওয়াই–ফাই কলিংয়ের মতো নতুন সুবিধা চালুর মাধ্যমে আমরা চাই গ্রাহকেরা নিশ্চিন্তে পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সংযুক্ত থাকতে পারেন। আমাদের কাছে কানেক্টিভিটি শুধু প্রযুক্তি নয়; এটি মানুষের প্রিয়জনদের আরও কাছে রাখার একটি মাধ্যম।’
এজেড

