ওয়াইফাই সংযোগ নেওয়ার সময় যে পাসওয়ার্ড দিয়েছিলেন, সেটিই কি বছরের পর বছর ব্যবহার করছেন? আপনার উত্তর ‘হ্যা’ হলে এখনই সতর্ক হওয়ার সময় এসেছে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষ এই একই ভুলটি করেন। কিন্তু দীর্ঘদিন পাসওয়ার্ড না বদলানোর কারণে আপনি শুধু ধীরগতির ইন্টারনেটের শিকারই হচ্ছেন না, বরং বড় ধরনের সাইবার ঝুঁকির মুখেও পড়ছেন।
ওয়াইফাই পাসওয়ার্ড নিয়মিত পরিবর্তন না করলে কী কী বিপদ হতে পারে, তা নিচে তুলে ধরা হলো এই প্রতিবেদনে
বিজ্ঞাপন

সহজ অ্যাক্সেস ও গতির বিড়ম্বনা দীর্ঘদিন একই পাসওয়ার্ড থাকলে পরিচিত বা প্রতিবেশীদের মাধ্যমে তা অন্যদের হাতে চলে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। আপনার অজান্তেই নেটওয়ার্কে অনেক ডিভাইস যুক্ত হয়ে যায়, ফলে ব্যান্ডউইথ ভাগ হয়ে ইন্টারনেটের গতি নাটকীয়ভাবে কমে যায়। বিশেষ করে গেমিং বা এইচডি ভিডিও দেখার সময় এই সমস্যা প্রকট হয়।
হ্যাকিং ও ডিভাইস হাইজ্যাকের ঝুঁকি পুরানো পাসওয়ার্ড হ্যাকারদের জন্য কাজ সহজ করে দেয়। দুর্বল নিরাপত্তার সুযোগ নিয়ে সাইবার অপরাধীরা আপনার রাউটারে প্রবেশ করতে পারে। এতে আপনার বাড়িতে থাকা স্মার্ট টিভি, সিসি ক্যামেরা বা স্পিকার হাইজ্যাক হওয়ার ঝুঁকি থাকে। হ্যাকাররা ম্যালওয়্যার পাঠিয়ে আপনার ফোন বা ল্যাপটপের গোপন তথ্য চুরি করতে পারে।

বিজ্ঞাপন
আইনি জটিলতার ভয় সবচেয়ে বড় ভয়ের কারণ হলো আইনি ঝুঁকি। যদি আপনার পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে অন্য কেউ কোনো সাইবার অপরাধ বা রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে, তবে তার দায় আপনার ওপরই বর্তাবে। কারণ ইন্টারনেট সংযোগটি আপনার নামেই নিবন্ধিত।
আরও পড়ুন: ফোনে ঘন ঘন নেটওয়ার্ক চলে গেলে কী করবেন?
পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের মতে, অন্তত প্রতি তিন মাস অন্তর রাউটারের পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা উচিত। এছাড়া পাসওয়ার্ড হিসেবে নাম বা জন্মতারিখ ব্যবহার না করে ইংরেজি বড় ও ছোট হাতের অক্ষর, সংখ্যা এবং স্পেশাল ক্যারেক্টারের (যেমন- #, @, $) সংমিশ্রণ ব্যবহার করা বেশি নিরাপদ।
এজেড

