রোববার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ঢাকা

সেই নস্টালজিক ফোনগুলোর কথা মনে আছে? যা ছিল সবার প্রিয়

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক
প্রকাশিত: ২০ নভেম্বর ২০২৪, ০৪:৪৯ পিএম

শেয়ার করুন:

সেই নস্টালজিক ফোনগুলোর কথা মনে আছে? যা ছিল সবার প্রিয়
সেই নস্টালজিক ফোনগুলোর কথা মনে আছে? যা ছিল সবার প্রিয়

স্মার্টফোন আসার আগে মোবাইল ফোনের দুনিয়াই ছিল অন্যরকম। কারও হাতে থাকত ছোট ফ্লিপ ফোন, কারও পছন্দ স্লাইডার, আবার কেউ ব্যবহার করতেন শক্তপোক্ত ক্যান্ডিবার ফোন। ফোনের ডিজাইন, রিংটোন, কিপ্যাড আর ছোট স্ক্রিন—সবকিছুতেই ছিল আলাদা আকর্ষণ। আজকের আধুনিক স্মার্টফোনের যুগে সেই ফোনগুলো বাজারে প্রায় না পাওয়া গেলেও পুরোনো দিনের ব্যবহারকারীদের মনে এখনও তাদের জায়গা রয়েছে। চলুন ফিরে দেখা যাক এমনই কয়েকটি জনপ্রিয় রেট্রো ফোনকে।

১. নকিয়া ৮১১০: বিখ্যাত ব্যানানা ফোন

১৯৯৬ সালে বাজারে আসা নকিয়া ৮১১০ সেই সময়ের তুলনায় ছিল বেশ অভিনব। বাঁকানো ডিজাইন এবং স্লাইড করে বেরিয়ে আসা কিপ্যাডের জন্য ফোনটির ডিজাইন সহজেই নজর কাড়ত। এটি ব্যানানা ফোন নামেও পরিচিত হয়ে ওঠে।

২. সনি এরিকসন ডব্লিউ৮০০: ফোনেই ওয়াকম্যান-এর মজা

মোবাইলে গান শোনার অভিজ্ঞতাকে অন্য মাত্রায় নিয়ে গিয়েছিল সনির এরিকসন ডব্লিউ৮০০। সনির জনপ্রিয় ওয়াকম্যান ব্র্যান্ডের সঙ্গে যুক্ত এই ফোনটি মূলত গানপ্রেমীদের কথা মাথায় রেখেই তৈরি হয়েছিল। ফোনটির মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা শুধু কথা বলা বা মেসেজ পাঠানো নয়, তুলনামূলক ভালো মানের সংগীতও উপভোগ করতে পারতেন। ছোট আকার, আকর্ষণীয় ডিজাইন এবং ওয়াকম্যান-এর সুবিধা ডব্লিউ৮০০-কে সেই সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় মোবাইল ফোনে পরিণত করেছিল।

৩. মটোরোলা রেজর

একসময়ে মটোরোলা রেজর ভিথ্রি হাতে থাকা মানেই ছিল স্টাইলের পরিচয়। ফোনটির অত্যন্ত পাতলা এবং আকর্ষণীয় ডিজাইন দ্রুত তরুণদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বিশেষ করে ধাতব ফিনিশ এবং ফ্লিপ করার সুবিধা এটিকে অন্য ফোনের তুলনায় আলাদা করে তুলেছিল।

৪. মটোরোলা ফ্লিপআউট-এর ফ্লিপ ডিজাইন

২০১০ সালে মটোরোলা নিয়ে এসেছিল এই অভিনব দেখতে মটোরোলা ফ্লিপআউট। সাধারণ ফ্লিপ ফোনের মতো উপর থেকে নিচে না খুলেই ফোনটির স্ক্রিনের নিচে থাকা পূর্ণাঙ্গ কোয়ার্টি কিবোর্ডটি দেখা যেত। বিশেষ করে যারা দ্রুত টাইপ করতে পছন্দ করতেন, তাদের কাছে এই কোয়ার্টি কিবোর্ড ছিল বড় আকর্ষণের।

৫. নকিয়া ৩৩১০-এর নস্টালজিয়া

পুরোনো মোবাইল ফোনের কথা উঠলে নকিয়া ৩৩১০-এর নাম না বললেই নয়। ২০০০ সালে বাজারে আসা এই ফোন খুব দ্রুত মানুষের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ছোট আকার, সহজ ব্যবহার এবং দীর্ঘ ব্যাটারি ব্যাকআপের পাশাপাশি ফোনটির অসাধারণ টেকসই হওয়ার খ্যাতি এখনও মানুষের মনে রয়েছে। আর সবচেয়ে বড় আকর্ষণ ছিল এর স্নেক গেম। ফোনটির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা সেই গেমের স্মৃতিও আজকের প্রজন্মের কাছে যেন নস্ট্যালজিয়া। বহু বছর পরেও নকিয়া ৩৩১০-কে পুরোনো মোবাইল যুগের অন্যতম আইকনিক ফোন হিসেবে মনে করা হয়।

এজেড

আপডেট পেতে ফলো করুন

Google NewsWhatsAppMessenger
সর্বশেষ
জনপ্রিয়

সব খবর