আপনার ব্যবহৃত স্মার্টফোন রেডিয়েশন ছড়ায়। তবে এই রেডিয়েশন সহনীয় মাত্রায়। যা শরীরের জন্য খুব একটা ক্ষতিকর নয়। কিন্তু রেডিয়েশনের মাত্রা বেশি হলে দুশ্চিন্তার কারণও বটে। আপনি কীভাবে বুঝবেন আপনার ফোন কতটা রেডিয়েশন ছড়াচ্ছে?
মোবাইল ফোনের রেডিয়েশন কি?
বিজ্ঞাপন
মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করার জন্য, টেলিকম সংস্থাগুলো বিভিন্ন এলাকায় প্রয়োজন অনুসারে টাওয়ার স্থাপন করে। এই টাওয়ারগুলোর বিকিরণ সরাসরি আমাদের সংস্পর্শে আসে না, তাই এটি শরীরের উপর খুব কম বিরূপ প্রভাব ফেলে। কিন্তু ফোন আমাদের সঙ্গে থাকে ২৪ ঘন্টা।

ফোন কতটা রেডিয়েশন ছাড়াচ্ছে জানার উপায়
তাই বিকিরণ সরাসরি আমাদের শরীরের সংস্পর্শে আসে। এখন প্রশ্ন হল, একজন ব্যক্তি কীভাবে বুঝবেন তার ফোন থেকে কতটা রেডিয়েশন বের হচ্ছে? তাই আপনি যদি আপনার মোবাইল ফোনের রেডিয়েশন পরীক্ষা করতে চান তবে এর জন্য আপনাকে মোবাইল থেকে *#07# ডায়াল করতে হবে।
বিজ্ঞাপন
আরও পড়ুন: রেডিয়েশন ছড়ানোর অভিযোগে ফ্রান্সে আইফোন ১২ নিষিদ্ধ
স্মার্টফোনের রেডিয়েশনের কুফল
রেডিয়েশনের কারণে, মস্তিষ্ক এবং হৃদয় উভয়ই বিরূপ প্রভাব ফেলে। এ কারণে হৃদস্পন্দন অনিয়মিত হতে পারে এবং মস্তিষ্কের স্মৃতিশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এছাড়া ক্যানসার, আর্থ্রাইটিস, আলঝেইমার এবং হৃদরোগের মতো মারাত্মক রোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।
![charger] charger]](https://cdx.dhakamail.com/media/images/2024May/charger]_20240531_215649652.jpg)
ফোনের রেডিয়েশন কমানোর উপায়
রেডিয়েশন কমাতে মোবাইল ফোন ভালো কেসে রাখতে হবে। দীর্ঘক্ষণ ফোনে কথা বলা এড়িয়ে চলা উচিত। কারণ দীর্ঘক্ষণ ফোনে কথা বলার ফলে বিকিরণ মস্তিষ্কের কোষেও প্রভাব ফেলে। দুর্বল সংকেতের সময় ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন সবচেয়ে বেশি হয়। অতএব, বেসমেন্ট বা লিফটের মতো জায়গায় ফোন কল করা এড়িয়ে চলা উচিত।
ফোনের রেডিয়েশন কতটা সহনীয়?
ফোন থেকে নির্গত বিকিরণ SAR মান দিয়ে পরিমাপ করা হয়। SAR (Synthetic Aperture Radar) মানে নির্দিষ্ট শোষণ হার। নির্ধারিত সীমা অনুযায়ী, ফোনের রেডিয়েশন মাত্রা প্রতি কিলোগ্রামে ১.৬ ওয়াটের বেশি হওয়া উচিত নয়। এবার যদি আপনার ফোনের SAR মান এই সীমার বেশি হয়, তাহলে ফোনটি স্বাস্থ্যের জন্য মোটেই ভালো নয়।
এজেড

